↩ নিউজ
প্রিন্ট এর তারিখঃ ১ ডিসেম্বর ২০২৫, ৫:৩৫ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ ২৬ নভেম্বর ২০২৫, ৯:২৯ পি.এম

টাঙ্গাইলে ধানক্ষেতে প্রান্তিক কৃষকের পাশে দাঁড়িয়ে সমস্যার কথা শুনলেন বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন টুকু

✍️ প্রতিবেদক: দীপ্ত বাংলাদেশ নিউজ ডেস্ক

টাঙ্গাইল উপজেলার মাহমুদ নগর ইউনিয়নের সারুটিয়া পূর্ব পাড়ায় ধানক্ষেতে গিয়ে প্রান্তিক কৃষকদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। বুধবার দুপুরে মাঠ পরিদর্শনে গিয়ে তিনি কৃষকদের বিভিন্ন সমস্যা, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, সার–বীজের দাম, সেচ ও শ্রমিক সংকটসহ সার্বিক পরিস্থিতি মনোযোগ দিয়ে শোনেন।

কৃষকদের সঙ্গে আলাপের সময় টুকু বলেন, প্রান্তিক কৃষকের সমস্যা আজ দেশের সর্বত্র একই। উৎপাদন খরচ বাড়ছে, কিন্তু ন্যায্য মূল্যের নিশ্চয়তা নেই—ফলে কৃষকরা দিন দিন ক্ষতির মুখে পড়ছেন। তিনি দাবি করেন, কৃষকই দেশের অর্থনীতি টিকিয়ে রাখেন, অথচ তাদের যথাযথ সুরক্ষা এখনো নিশ্চিত হয়নি। মাঠে উপস্থিত কৃষকরাও জানান, সার–বীজের দাম বাড়ায় ও শ্রমিক সংকটে তাদের উৎপাদন ব্যয় আগের তুলনায় অনেক বেশি হয়ে গেছে।

এ সময় টুকু কৃষকদের সামনে তুলে ধরেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘোষিত ৩১ দফার কৃষি–সংক্রান্ত প্রতিশ্রুতি। তিনি বলেন, ক্ষমতায় গেলে কৃষি খাতকে প্রাধান্য দিয়ে ন্যায্য দাম নিশ্চিত করা, সেচে ভর্তুকি বৃদ্ধি, কৃষিযন্ত্র কেনায় সহায়তা, বাজার–ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষকের স্বার্থ রক্ষায় দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার রয়েছে ওই ঘোষণায়।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, কৃষকের লাভ নিশ্চিত না হলে দেশের সার্বিক অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। “কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে”—এ কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে আরও স্পষ্ট করে তুলে ধরার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন। কৃষকদের বক্তব্য শুনে তিনি আশ্বাস দেন, তাদের অভিজ্ঞতা ও দাবি দলীয় নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে উপস্থাপন করা হবে।

স্থানীয় কৃষকরা জানান, ধান উৎপাদন করতে গিয়ে তাদের নানা ধরনের খরচ বাড়ছে, কিন্তু ফসলের ন্যায্য মূল্য পাচ্ছেন না। তারা চান, মাঠপর্যায়ের কৃষকদের সমস্যাগুলো জাতীয় নীতি প্রণয়নে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হোক।

দিনশেষে কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে টুকু বলেন, কৃষি–সংকট সমাধানে মাঠের মানুষের কথা শুনে বাস্তবসম্মত নীতি গ্রহণই সবচেয়ে জরুরি। স্থানীয়দের সঙ্গে কথোপকথনে পরিস্থিতি আরও স্পষ্ট হওয়ায় তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন। এখন সবার নজর, মাঠপর্যায়ের এসব দাবি ভবিষ্যতে রাজনৈতিক আলোচনায় কীভাবে প্রতিফলিত হয়।