↩ নিউজ
প্রিন্ট এর তারিখঃ ১০ মে ২০২৬, ১২:১০ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ ৯ মে ২০২৬, ৭:২৭ পি.এম

পুলিশকে জনগণের আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতীকে পরিণত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

✍️ প্রতিবেদক: দীপ্ত বাংলাদেশ নিউজ ডেস্ক

দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় পর দেশে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান। ‘পুলিশ সপ্তাহ ২০২৬’ উপলক্ষে শনিবার (৯ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, দেশের জনগণ এখন গুম, অপহরণ ও ভয়ের সংস্কৃতিমুক্ত একটি রাষ্ট্র ও সমাজ প্রত্যাশা করে। যেখানে নাগরিকের জানমালের নিরাপত্তা থাকবে এবং কোনো ধরনের নির্যাতন বা অবিচারের আশঙ্কা থাকবে না। এই প্রত্যাশিত পরিবেশ বজায় রাখার ক্ষেত্রে পুলিশ বাহিনীর ভূমিকাকে তিনি সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ বলে অভিহিত করেন।

রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ প্রতিরোধে পুলিশের বিকল্প নেই উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, পুলিশ যদি জনগণের সঙ্গে আস্থা ও বিশ্বাসের সম্পর্ক তৈরি করতে পারে, তবে তাদের দায়িত্ব পালনের পথ আরও সহজ হবে। প্রতিবছর অনুষ্ঠিত এই পুলিশ সপ্তাহ যেন বাহিনীকে জনগণের বিশ্বস্ত হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকারের মুহূর্ত হয়ে ওঠে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান সরকার একটি সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও মানবিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করছে। তবে জনমনে নিরাপত্তা ও স্বস্তি নিশ্চিত করা না গেলে এই লক্ষ্য অর্জন কঠিন হয়ে পড়বে। এ কারণে পুলিশের প্রতি জনআস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নকে সরকার এখন সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুলিশের পেশাদারিত্বের প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, উপযুক্ত পরিবেশে পুলিশ দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনে সক্ষম, তা এই নির্বাচনের মাধ্যমেই প্রমাণিত হয়েছে। এছাড়া জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে পুলিশের অবদান বিশ্বদরবারে বাংলাদেশের মর্যাদা বাড়িয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

বৈশ্বিক বাস্তবতায় পুলিশের আধুনিকায়নের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তারেক রহমান বলেন, মব সহিংসতা, কিশোর গ্যাং এবং মাদকের বিস্তার রোধে পুলিশকে আরও কঠোর ও কার্যকর হতে হবে। পুলিশের উন্নয়নকে সরকার জননিরাপত্তার অপরিহার্য অংশ হিসেবে বিবেচনা করে।