↩ নিউজ
প্রিন্ট এর তারিখঃ ১০ মে ২০২৬, ১:৪৪ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ ৯ মে ২০২৬, ৯:৩৫ পি.এম

আগামীর সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার কারিগর হবে শিক্ষার্থীরা: মাহদী আমিন

✍️ প্রতিবেদক: দীপ্ত বাংলাদেশ নিউজ ডেস্ক

আগামীর সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার মূল কারিগর হবে আজকের শিক্ষার্থীরা। এমন মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন। তিনি জানান, সরকার এমন এক শিক্ষা ব্যবস্থা তৈরি করতে চায় যেখানে শিক্ষা কেবল কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ না থেকে বাস্তবেই জাতির মেরুদণ্ড হয়ে উঠবে।

শনিবার (০৯ মে) রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত ‘চীন-বাংলাদেশ শিক্ষা সহযোগিতা ফোরাম ২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মাহদী আমিন দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন এবং সরকারের ভবিষ্যৎ ভিশন নিয়ে বিস্তারিত রূপরেখা তুলে ধরেন।

উপদেষ্টা বলেন, সবাইকে প্রথম বা দ্বিতীয় হতে হবে কিংবা সবাইকে ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার হতে হবে—এমন সনাতন ধারণা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভিশন অনুযায়ী, শিক্ষার্থীরা তাদের মেধা ও পছন্দ অনুযায়ী শিক্ষা গ্রহণ করবে। যারা খেলাধুলা, সংগীত কিংবা সাংস্কৃতিক চর্চায় আগ্রহী, তাদের জন্য সেই পথ উন্মুক্ত করা হবে। এমনকি ধর্মীয় শিক্ষায় আগ্রহীদের জন্য ‘নতুন কুঁড়ি’র আদলে কুরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতার মতো প্ল্যাটফর্ম চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে।

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের বিশ্বমঞ্চে নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্য করে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করে মাহদী আমিন বলেন, স্কুল পর্যায় থেকেই শিক্ষার্থীদের ‘গ্লোবাল সিটিজেন’ বা বিশ্ব নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা হবে। বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি চীনা, জাপানিজ, কোরিয়ান কিংবা অ্যারাবিক ভাষা শেখার সুযোগ তৈরি করা হবে, যাতে সারা বিশ্ব তাদের জন্য উন্মুক্ত হয়ে যায়।

শিক্ষা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিশ্চিতের অঙ্গীকার করে তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের অধীনে কোনো প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা ঘটবে না এবং পরীক্ষায় নকলের কোনো সুযোগ থাকবে না। ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ বা আনন্দময় শিক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা দলগত কাজের (গ্রুপ ওয়ার্ক) দক্ষতা অর্জন করবে এবং সৃজনশীল মেধার বিকাশ ঘটাবে।

সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে উপদেষ্টা জানান, প্রতিটি স্কুলে প্রথম শ্রেণি থেকে শিক্ষার্থীদের জন্য অভিন্ন স্কুল ড্রেস, ব্যাগ ও জুতার ব্যবস্থা করার কাজ চলছে। এছাড়া শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে স্কুলে ‘মিড-ডে মিল’ বা দুপুরের টিফিনের ব্যবস্থা করা হবে, যা প্রধানমন্ত্রীর অন্যতম একটি ভিশন।