↩ নিউজ
প্রিন্ট এর তারিখঃ ২৪ মে ২০২৬, ৩:২৩ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ ২৩ মে ২০২৬, ৭:৫৩ পি.এম

পল্লবীতে শিশু রামিসা হত্যা: ডিএনএ ও ময়নাতদন্ত রিপোর্ট হস্তান্তর, আজই চার্জশিট জমার সম্ভাবনা

✍️ প্রতিবেদক: দীপ্ত বাংলাদেশ নিউজ ডেস্ক

রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছর বয়সি স্কুলছাত্রী রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনার তদন্তে বড় অগ্রগতি হয়েছে। মামলার ডিএনএ প্রোফাইলিং, ময়নাতদন্ত ও ভিসেরা রিপোর্ট হাতে পেয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ফরেনসিক ইউনিট থেকে এই গুরুত্বপূর্ণ রিপোর্টগুলো হস্তান্তর করা হয়েছে।

শনিবার (২৩ মে) সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রামিসা হত্যাকাণ্ডের ঘটনার সব ধরনের ফরেনসিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে প্রস্তুতকৃত রিপোর্টগুলো মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান ভুঁইয়া নিপুনের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।

হত্যাকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট তথ্য সংবলিত এই ফরেনসিক রিপোর্টগুলো পাওয়ার পর মামলার তদন্ত কার্যক্রম এখন প্রায় শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে জানা গেছে। তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, সিআইডির বৈজ্ঞানিক প্রমাণপত্র হাতে আসায় এখন দ্রুততম সময়ের মধ্যে মামলার অভিযোগপত্র (চার্জশিট) প্রস্তুতের কাজ চলছে। সবকিছু ঠিক থাকলে রোববার (২৪ মে) আদালতে এই মামলার চূড়ান্ত অভিযোগপত্র দাখিল করা হতে পারে।

এর আগে গত মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে মিরপুরের পল্লবীর একটি আবাসিক ফ্ল্যাটের খাটের নিচ থেকে শিশু রামিসার মস্তকবিহীন দেহ এবং পরবর্তীতে বাথরুম থেকে খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। এই নির্মম ও লোমহর্ষক ঘটনার পর পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।

ঘটনার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে প্রথমে মূল আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করে। পরবর্তীতে প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর আসামি সোহেল রানা শিশু রামিসাকে প্রথমে ধর্ষণ এবং পরে প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যে গলা কেটে হত্যার কথা স্বীকার করে আদালতে নিজের দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন।