↩ নিউজ
প্রিন্ট এর তারিখঃ ১২ জুন ২০২৬, ২:০৩ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ ১০ জুন ২০২৬, ৭:২৪ পি.এম

১৮০ দিনের মধ্যে ৫ জেলায় পরীক্ষামূলকভাবে ‘ই-হেলথ কার্ড’ চালু হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

✍️ প্রতিবেদক: দীপ্ত বাংলাদেশ নিউজ ডেস্ক

আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে দেশের ৫টি জেলায় পরীক্ষামূলকভাবে ‘ই-হেলথ কার্ড’ চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বুধবার (১০ জুন) বিকালে জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে পাবনা-৫ আসনের বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের এক তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান এই তথ্য জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৮০ দিনের কর্মসূচির আওতায় দেশের সাধারণ জনগণকে ‘ই-হেলথ কার্ড’ প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এই সংক্রান্ত একটি প্রকল্প বর্তমানে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। প্রকল্পটির অনুমোদন সাপেক্ষে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দেশের ৫টি জেলা যথাক্রমে খুলনা, নোয়াখালী, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ ও নরসিংদীর জনসাধারণকে ই-হেলথ কার্ড সেবা প্রদান কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হবে। এই ই-হেলথ কার্ডটি মূলত ইলেকট্রনিক রিফারেল সিস্টেম এবং ইলেকট্রনিক পেশেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী তাঁর সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী প্রথম ১৮০ দিনের কর্মসূচির অগ্রাধিকার ও অগ্রগতিগুলো সংসদের সামনে তুলে ধরেন। তিনি জানান, নারী প্রধানকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার পাইলটিং পর্যায়ে এ পর্যন্ত ৩৬টি ইউনিটের ৬০ হাজার ৪৪টি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করা হয়েছে।

অন্যদিকে কৃষক কার্ডের প্রি-পাইলটিং পর্যায়ে দেশের ৮টি বিভাগের ১০টি জেলার ১১টি উপজেলার ১১টি কৃষি ব্লকে এ পর্যন্ত ২০ হাজার ৭৪৮ জনকে কৃষক কার্ড প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সরকার শস্য, ফসল, পশুপালন ও মৎস্য খাতে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

ধর্মীয় খাতের অগ্রগতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, দেশের ৪ হাজার ৯০৮টি মসজিদ, ৯৯০টি মন্দির, ১৪৪টি বৌদ্ধ বিহার-প্যাগোডা এবং ৩৯৬টি গির্জায় কর্মরত ব্যক্তিদেরকে বর্তমানে মাসিক সম্মানী ভাতা প্রদান করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে দেশের সব ধর্মীয় উপাসনালয়ে এই বিশেষ সুবিধা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে।

এর আগে এদিন বিকাল ৩টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হয়। নিয়ম অনুযায়ী বৈঠকের প্রথম ৩০ মিনিট প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্ব হিসেবে পরিচালিত হয়। আজকের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর উত্তর দেওয়ার জন্য তারকা চিহ্নিত ৫টি প্রশ্ন নির্ধারিত ছিল, যার মধ্যে নির্ধারিত ৩০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী তিনটি প্রশ্ন এবং বিভিন্ন সংসদ সদস্যের সম্পূরক প্রশ্নের জবাব দেন।