↩ নিউজ
প্রিন্ট এর তারিখঃ ২ জুলাই ২০২৬, ৮:১৬ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ ১ জুলাই ২০২৬, ১০:০৮ পি.এম

রাশিয়া ও কানাডা থেকে ৩৫১ কোটি টাকায় ৭৫ হাজার টন এমওপি সার কিনছে সরকার

✍️ প্রতিবেদক: দীপ্ত বাংলাদেশ নিউজ ডেস্ক

দেশের কৃষি উৎপাদনে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ মিউরিয়েট অব পটাশ (এমওপি) সারের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বড় উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। রাশিয়া ও কানাডা থেকে জি-টু-জি (সরকার-টু-সরকার) প্রক্রিয়ায় মোট ৭৫ হাজার টন এমওপি সার আমদানির দুটি পৃথক প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই পরিমাণ সার ক্রয়ে সরকারের মোট ব্যয় হবে আনুমানিক ৩৫১ কোটি ২৬ লাখ টাকা।

বুধবার (১ জুলাই) রাজধানীর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ২০২৬ সালের সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির (সিসিজিপি) ২৯তম সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়। হাইপ্রোফাইল এই সভায় সভাপতিত্ব করেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) দেশের ক্রমবর্ধমান অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটাতে এই সার আমদানির প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন করবে।

অনুমোদিত প্রস্তাব অনুযায়ী, কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রথম আবেদনের প্রেক্ষিতে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ‘জেএসসি ফরেন ইকোনমিক করপোরেশন’ (প্রোডইনটর্গ) থেকে ৩৫ হাজার টন এমওপি সার আমদানির সিদ্ধান্ত হয়েছে। প্রতি মেট্রিক টন ৩৮০ মার্কিন ডলার দরে এই চালানটি আমদানিতে সরকারের ব্যয় হবে প্রায় ১৬৩ কোটি ৯২ লাখ টাকা।

অন্যদিকে, মন্ত্রণালয়ের দ্বিতীয় প্রস্তাবের ভিত্তিতে কানাডিয়ান কমার্শিয়াল করপোরেশন (সিসিসি) থেকে আরও ৪০ হাজার টন এমওপি সার আমদানির অনুমোদন দিয়েছে কমিটি। রাশিয়ার সমান দর অর্থাৎ প্রতি মেট্রিক টন ৩৮০ মার্কিন ডলার মূল্যে কানাডা থেকে সার কিনতে ব্যয় ধরা হয়েছে আনুমানিক ১৮৭ কোটি ৪ লাখ টাকা।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই দুটি আন্তর্জাতিক চালানের মাধ্যমে দেশে মোট ৭৫ হাজার টন সার সময়মতো এসে পৌঁছাবে। ফলে চলতি চাষাবাদ মৌসুমে মাঠপর্যায়ে সারের কোনো ঘাটতি তৈরি হবে না এবং বাজারমূল্য স্থিতিশীল রেখে কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হওয়া থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে।