↩ নিউজ
প্রিন্ট এর তারিখঃ ২ জুলাই ২০২৬, ৯:৩৩ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ ১ জুলাই ২০২৬, ১০:৩১ পি.এম

সাজাপ্রাপ্ত শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করতে সরকার বদ্ধপরিকর: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

✍️ প্রতিবেদক: দীপ্ত বাংলাদেশ নিউজ ডেস্ক

জুলাই অভ্যুত্থানকেন্দ্রিক মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দণ্ডিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে সাজা কার্যকর করতে বর্তমান সরকারের কূটনৈতিক ও আইনি প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। বুধবার (১ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সমসাময়িক বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হস্তান্তরের অগ্রগতির বিষয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই বিষয়ে এই মুহূর্তে নতুন কোনো হালনাগাদ তথ্য না থাকলেও পুরো প্রক্রিয়াটি সক্রিয়ভাবে বিবেচনাধীন রয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, একজন সাজাপ্রাপ্ত আসামি যিনি দেশের মানুষের ওপর অন্যায় ও অপরাধ করে অন্য দেশে অবস্থান করছেন, তাঁকে দেশে ফিরিয়ে আনা বাংলাদেশের সাধারণ জনগণের অন্যতম প্রধান দাবি। জনগণের সেই প্রত্যাশা পূরণের লক্ষ্যেই সরকার কাজ করে যাচ্ছে এবং বাংলাদেশের মাটিতেই তাঁর পূর্ণাঙ্গ বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।

এর আগে সাংবাদিকদের করা পৃথক এক প্রশ্নের জবাবে বিগত ১৭ বছরে বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করেন শামা ওবায়েদ। তিনি বলেন, অবৈধভাবে পাচারকৃত সম্পদ পুনরুদ্ধারে সরকার সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে নিবিড়ভাবে যোগাযোগ রক্ষা করছে।

প্রতিমন্ত্রী এ প্রসঙ্গে আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী ইতিমধ্যেই দেশবাসীকে অবহিত করেছেন যে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত পেতে এ পর্যন্ত বিশ্বের ১০টি দেশের কাছে আনুষ্ঠানিক অনুরোধ পাঠিয়েছে বাংলাদেশ। যেহেতু যেসব দেশে অর্থ পাচার হয়েছে, সেসব দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক ও আন্তর্জাতিক আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়, তাই এই প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হতে কিছুটা সময়ের প্রয়োজন।

বিষয়টি রাতারাতি সমাধান হওয়ার মতো নয় উল্লেখ করে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক আইনি জটিলতার কারণে এটি অত্যন্ত সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। তবে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে বিদ্যমান চুক্তি ও চলমান দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে বাংলাদেশ ইতিবাচকভাবে একধাপ এগিয়েছে। দেশের মানুষের পাচার হওয়া সম্পদ ফিরিয়ে আনতে সরকার সঠিক আইনি পথেই হাঁটছে এবং এই প্রক্রিয়াটি চলমান থাকবে।