↩ নিউজ
প্রিন্ট এর তারিখঃ ৭ জুলাই ২০২৬, ৫:১৫ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ ৬ জুলাই ২০২৬, ১১:০৫ পি.এম

ভেজালবিরোধী প্রতিষ্ঠানের সমস্যা সমাধানে ৩ সদস্যের উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

✍️ প্রতিবেদক: দীপ্ত বাংলাদেশ নিউজ ডেস্ক

দেশে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ, পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণ এবং ভেজালবিরোধী অভিযান পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর বিদ্যমান সমস্যা চিহ্নিত করে তা দ্রুত সমাধানের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান। একই সঙ্গে এসব প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে আরও গতিশীলতা আনার লক্ষ্যে তিন সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনেরও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

সোমবার বিকেলে বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত এক বিশেষ সভায় প্রধানমন্ত্রী এই নির্দেশনা দেন। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব মো. সুজাউদ্দৌলা (সুজন মাহমুদ) সভার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশিত এই উচ্চপর্যায়ের কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী এবং মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি। কমিটিকে আগামী এক মাসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর দ্রুত সমাধানযোগ্য এবং দীর্ঘমেয়াদি সমস্যাগুলো সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করে সুপারিশসহ একটি প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

এর আগে অনুষ্ঠিত এই সভায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, বিএসটিআই এবং সিটি কর্পোরেশনসহ মাঠ পর্যায়ে ভেজালবিরোধী অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকারী ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন। সভার একপর্যায়ে কর্মকর্তারা মাঠপর্যায়ে কাজ করার ক্ষেত্রে তাদের নানা প্রতিবন্ধকতার কথা প্রধানমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেন। বিশেষ করে জেলাপর্যায়ে জনবল বৃদ্ধি, উন্নত মানের ল্যাবরেটরি স্থাপন, আধুনিক সরঞ্জাম সরবরাহ এবং সিন্ডিকেট ও প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনাকালে নিরাপত্তা ঝুঁকির বিষয়টি উল্লেখ করে মোবাইল কোর্টের ক্ষমতা বাড়ানোর দাবি জানান তারা। প্রধানমন্ত্রী মনোযোগসহকারে তাদের এসব সংকটের কথা শোনেন এবং দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন।

সভায় প্রধানমন্ত্রী দেশের সার্বিক উন্নয়নে জনসচেতনতার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। উদাহরণ হিসেবে গুলশান লেকের অব্যবস্থাপনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, শিক্ষিত সমাজের অনেকেই অসচেতনভাবে লেকে আবর্জনা ফেলছেন। দেশকে সত্যিকার অর্থে পরিবর্তন করতে হলে শুধু সরকারের উদ্যোগের ওপর নির্ভর করলেই চলবে না, বরং নাগরিকদের সদিচ্ছা ও দায়িত্বশীলতা অত্যন্ত প্রয়োজন। সমস্যাকে সঙ্গী করেই দেশের স্বার্থে সবাইকে আরও সচেতন হয়ে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

উক্ত সভায় অন্যান্যের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আব্দুস সাত্তার, বাণিজ্য সচিব আতাউর রহমান খান, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এবং বিএসটিআইয়ের মহাপরিচালক কাজী ইমদাদুল হক উপস্থিত ছিলেন।