↩ নিউজ
প্রিন্ট এর তারিখঃ ১২ জুলাই ২০২৬, ১২:৩০ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ ১১ জুলাই ২০২৬, ৬:১২ পি.এম

শিক্ষায় বিনিয়োগই দেশের ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ: ভূমিমন্ত্রী মো: মিজানুর রহমান মিনু

✍️ প্রতিবেদক: দীপ্ত বাংলাদেশ নিউজ ডেস্ক

শিক্ষায় বিনিয়োগকে দেশের ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ হিসেবে অভিহিত করেছেন ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু। তিনি বলেছেন, মেধাবী অথচ আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় যাতে কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা তৈরি না হয়, সরকার সেই লক্ষ্যেই বিভিন্ন ধরনের শিক্ষাবৃত্তি ও বিশেষ সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে রাজশাহী মহানগরীর মনিচত্বরস্থ জেলা পরিষদ মিলনায়তনে মেধাবী ও অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের মাঝে এককালীন শিক্ষাবৃত্তির চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। রাজশাহী জেলা পরিষদের উদ্যোগে এই অর্থ বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে ভূমিমন্ত্রী বলেন, আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলবে। কারণ শিক্ষা হচ্ছে একটি জাতির সামগ্রিক উন্নয়ন ও অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি। মেধা ও যোগ্যতার যথাযথ মূল্যায়নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি এবং সামাজিক সংগঠনগুলোকেও শিক্ষার প্রসারে আরও কার্যকর ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।

বর্তমান সময়ে উচ্চশিক্ষার ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় অনেক পরিবারকেই আর্থিক চাপের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। এমন বাস্তবতায় স্থানীয় ও সরকারি পর্যায়ের এই বৃত্তি কর্মসূচি শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়ার হার কমাতে এবং তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। অনুষ্ঠানে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফলকারী ৪৮২ জন শিক্ষার্থীর প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা করে মোট ২৪ লাখ ১০ হাজার টাকা বৃত্তি প্রদান করা হয়। পরে অতিথিরা শিক্ষার্থীদের হাতে এই বৃত্তির চেক তুলে দেন।

রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মো. এরশাদ আলী (ঈশা)-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী-৫ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক নজরুল ইসলাম এবং রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন।

তাছাড়া অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ এবং জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে ফাতিমাসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।