↩ নিউজ
প্রিন্ট এর তারিখঃ ১৫ জুলাই ২০২৬, ৪:২১ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ ১৪ জুলাই ২০২৬, ৯:২৪ পি.এম

পার্ক ও খেলার মাঠের সংকট দূরীকরণে দেশজুড়ে ১০১টি পার্ক নির্মাণের পরিকল্পনা সরকারের

✍️ প্রতিবেদক: দীপ্ত বাংলাদেশ নিউজ ডেস্ক

সারাদেশে পার্ক, খেলার মাঠ এবং উন্মুক্ত স্থানের তীব্র সংকট নিরসনে সরকার দেশব্যাপী ১০১টি নতুন পার্ক নির্মাণের মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বর্তমানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য ও উপাত্ত সংগ্রহের কাজ জোরকদমে চলছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বিরোধী দলের (জামায়াতে ইসলামী) চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য নুরুল ইসলামের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের এই তথ্য জানান। ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে এদিনের সংসদীয় প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।

সংসদে গণপূর্ত মন্ত্রী রাজধানীর বিনোদন ও উন্মুক্ত স্থান প্রসারণের চিত্র তুলে ধরে জানান, ঢাকার ফার্মগেটের ঐতিহাসিক আনোয়ারা উদ্যানে একটি আধুনিক পার্ক নির্মাণ এবং রামপুরা ও খিলগাঁও উচ্চ বিদ্যালয় এলাকাসহ খিলগাঁও পুনর্বাসন এলাকায় তিনটি খেলার মাঠ উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি খিলগাঁও এলাকায় ঈদগাহ, পার্ক ও কমিউনিটি সেন্টার নির্মাণ সংক্রান্ত উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) বর্তমানে চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

এর আগে সরকারের চলমান উন্নয়ন কাজের ধারাবাহিকতায় চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে দুটি করে মোট চারটি পার্কের নির্মাণকাজ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে বলে মন্ত্রী উল্লেখ করেন। তাছাড়া রাজধানীর ফুসফুস খ্যাত ঐতিহ্যবাহী রমনা পার্কের আধুনিকায়নের কাজ পুরোপুরি শেষ করে তা ইতিমধ্যেই সাধারণ জনগণের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ময়মনসিংহ জেলার তারাকান্দায় আরও একটি পার্কের নির্মাণকাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে।

পরিকল্পিত নগরায়ণ নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার সকল উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে পরিবেশ সংরক্ষণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে বলে জানান জাকারিয়া তাহের। তিনি উল্লেখ করেন, ভূমির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে যথাযথ পরিকল্পনা ও গবেষণার মাধ্যমে বহুতল ভবন নির্মাণে বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। এর পাশাপাশি আধুনিক নগর প্রকল্পগুলোতে পরিবেশবান্ধব ও জ্বালানি-সাশ্রয়ী নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, স্বতন্ত্র পয়ঃশোধনাগার (এসটিপি) এবং পর্যাপ্ত সবুজায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে।