বাঁশখালীতে ৭৫ হাজার মানুষ ত্রাণের আওতায়, পর্যায়ক্রমে সব ক্ষতিপূরণের আশ্বাস অর্থমন্ত্রীর

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার বন্যাদুর্গত এলাকায় সরকারি ত্রাণ কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার দেশ ও জনগণের কল্যাণে নিয়োজিত এবং বন্যার কারণে স্থানীয় মানুষের যে ক্ষতি হয়েছে, তা পর্যায়ক্রমে পূরণ করার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানো হবে।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) বিকালে চট্টগ্রামের বাঁশখালীর বিভিন্ন বন্যাদুর্গত এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের বাদালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং সরল ইউনিয়ন আমিরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত পৃথক দুটি অনুষ্ঠানে চিকিৎসাধীন ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণকালে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তিনি উল্লেখ করেন, সরকারের পক্ষ থেকে এ পর্যন্ত শুধু বাঁশখালী উপজেলাতেই ৭৫ হাজার মানুষকে জরুরি ত্রাণের আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে। এর পাশাপাশি পানিবন্দি ও আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা প্রায় ৪০ হাজার মানুষের মাঝে রান্না করা খাবার পরিবেশন করা হয়েছে। মন্ত্রী দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, বিপদের এই সময়ে মানুষের পাশে থাকা সরকারের পবিত্র দায়িত্ব এবং আগামীতেও জনগণের সেবায় এই ধারা অব্যাহত থাকবে।
ত্রাণ বিতরণ ও পরিদর্শন কার্যক্রমে অর্থমন্ত্রীর সাথে আরও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ জহিরুল ইসলাম এবং চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ। এছাড়া মাঠপর্যায়ে কাজের তদারকি নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক জাহিদুল হক মিয়া, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রুহুল আমিন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ওমর সানি আকন, বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রবিউল হকসহ স্থানীয় প্রশাসন ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির ঊর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।