↩ নিউজ
প্রিন্ট এর তারিখঃ ৩০ জুলাই ২০২৬, ৪:৫৩ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ ২৯ জুলাই ২০২৬, ৭:৩৫ পি.এম

ভূমিকম্প মোকাবিলায় ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক ও বিশেষ সেল গঠনের সিদ্ধান্ত: প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সভা অনুষ্ঠিত

✍️ প্রতিবেদক: দীপ্ত বাংলাদেশ নিউজ ডেস্ক

ভূমিকম্প-পরবর্তী জরুরি সাড়াদান ও সার্বিক রাষ্ট্রীয় প্রস্তুতি জোরদার করার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের সভাপতিত্বে এক উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেলে বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে এই গুরুত্বপূর্ণ সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। পরে প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন সাংবাদিকদের সভার নানা সিদ্ধান্তের বিষয়ে অবহিত করেন।

উপ-প্রেস সচিব জানান, ভূমিকম্পের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ সামাল দিতে জাতীয় টাস্কফোর্স গঠন এবং প্রয়োজনীয় উদ্ধার সরঞ্জাম সরবরাহের পরিকল্পনা নিয়ে সভায় বিস্তৃত আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে ঢাকা ও এর আশপাশের এলাকায় জরুরি সেবা নিশ্চিত করতে ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত ও প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ইতোমধ্যে ৭০ হাজার স্বেচ্ছাসেবকের একটি তথ্যভাণ্ডার (ডাটাবেজ) প্রস্তুত করা হয়েছে এবং বাকি ৩০ হাজার স্বেচ্ছাসেবক দ্রুততম সময়ের মধ্যে তালিকাভুক্ত করা হবে।

দুর্যোগ মোকাবিলা ও দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বার্থে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ভূমিকম্প প্রস্তুতি বিষয়ক একটি ‘বিশেষ সেল’ গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। পাশাপাশি সম্ভাব্য দুর্যোগ মুহূর্তে সরকারি ও বেসরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে পারস্পরিক তদারকি ও কার্যকর সমন্বয় গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

তিনি আরও জানান, দুর্যোগ দেখা দিলে জরুরি ত্রাণ সামগ্রী ও সহায়তা দ্রুত পৌঁছানোর সুবিধার্থে ঢাকা শহরের নির্দিষ্ট স্থানে ‘হিউম্যানিটেরিয়ান স্ট্যাগিং এরিয়া’ (এইচএসএ) বা লজিস্টিক কেন্দ্র স্থাপনের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতা বাড়াতে বিভিন্ন ধরনের প্রচারমূলক কর্মসূচি হাতে নেওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়।

উক্ত সভায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম. ইকবাল হোসেইন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এমএ মুহিত, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তার এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ সচিব মো. সাইদুর রহমান খানসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।