রাজধানীকে পরিচ্ছন্ন ও সবুজ করতে সিটি করপোরেশনের কার্যক্রম বেগবান করার নির্দেশ

রাজধানীকে একটি পরিচ্ছন্ন ও সবুজ নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের চলমান কার্যক্রম আরও বেগবান করার কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
বুধবার (২৯ জুলাই) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এ নির্দেশনা প্রদান করেন।
সভায় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত ‘ক্লিন অ্যান্ড গ্রিন সিটি’ কর্মসূচির অধীনে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বৃক্ষরোপণ, সৌন্দর্যবর্ধন, নিয়মিত বর্জ্য অপসারণ এবং নতুন ডাস্টবিন বা বিন স্থাপনের সার্বিক অগ্রগতি খতিয়ে দেখা হয়।
প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, কেবল পরিকল্পনা গ্রহণ বা সভা-সমাবেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে মাঠপর্যায়ে দৃশ্যমান অগ্রগতি নিশ্চিত করাই এখন মূল লক্ষ্য। প্রতিটি পরিচ্ছন্নতা ও সবুজায়ন উদ্যোগের সুফল যেন নগরবাসী সরাসরি ভোগ করতে পারেন, সে অনুযায়ী পরিকল্পিতভাবে কাজ চালিয়ে যেতে হবে।
তিনি চলমান কাজের গতি বাড়াতে এবং নতুন কোনো বড় প্রকল্প চূড়ান্ত করার আগে পরীক্ষামূলকভাবে পরিচালিত পাইলট প্রকল্পগুলোর সফলতা মূল্যায়ন করার তাগিদ দেন। যেসব উদ্যোগ সফল হবে, সেগুলো পর্যায়ক্রমে পুরো শহরজুড়ে বাস্তবায়নের কথা জানান তিনি।
এ সময় প্রতিমন্ত্রী কোথায় কোথায় গাছ লাগানো হচ্ছে, সৌন্দর্যবর্ধন ও বর্জ্য অপসারণের কাজ চলছে—তার সুনির্দিষ্ট ও হালনাগাদ তালিকা তৈরি করে মন্ত্রণালয়ে উপস্থাপনের জন্য কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমে নিয়মিত মাঠপর্যায়ে তদারকি ও নজরদারি নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন তিনি।
সভায় দুই সিটি করপোরেশনের প্রতিনিধিরা জানান, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (এনজিও) ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোকে সঙ্গে নিয়ে সমন্বিতভাবে নগর পরিচ্ছন্নতার কাজ চালানো হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুস সালাম, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. জাহানে ফেরদৌস বিনতে রহমান, প্রধান প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমান এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মো. মাহাবুবুর রহমান তালুকদার ও প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরীসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।