↩ নিউজ
প্রিন্ট এর তারিখঃ ৭ আগস্ট ২০২৬, ১২:০৬ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ ৬ আগস্ট ২০২৬, ৬:২২ পি.এম

১৬ আগস্ট ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন, লক্ষ্য ১ কোটি ৬০ লাখ পরিবার

✍️ প্রতিবেদক: দীপ্ত বাংলাদেশ নিউজ ডেস্ক

পাইলটিং বা পরীক্ষামূলক কার্যক্রমের সাফল্য শেষে আগামী ১৬ আগস্ট ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করতে যাচ্ছে সরকার। পর্যায়ক্রমে আগামী চার বছরের মধ্যে সারা দেশের ১ কোটি ৬০ লাখ পরিবারকে এই কল্যাণমুখী প্রকল্পের আওতায় আনার রূপরেখা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে ফ্যামিলি কার্ড সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন এসব তথ্যাদি নিশ্চিত করেন।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী জানান, আগামী ১৬ আগস্ট কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার লতিফাবাদ ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করবেন। উদ্বোধনের পর অক্টোবর মাসের শেষ নাগাদ দেশের প্রতিটি উপজেলা ও ইউনিয়নে পর্যায়ক্রমে ফ্যামিলি কার্ডের মূল কাজ ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

দেশের ৫৬টি এলাকায় পরিচালিত পাইলট প্রকল্পের চিত্র তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, পরীক্ষামূলক প্রয়োগে অত্যন্ত ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে। যশোর ও নেত্রকোনার দুটি স্থানে তথ্য সংগ্রহে কিছু সাময়িক জটিলতা দেখা দিলেও তা সংশোধন করা হয়েছে। বাকি ৫৪টি এলাকায় ত্রুটির হার ছিল ৩ শতাংশেরও কম।

কর্মসূচির স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে নতুন তথ্যমালা ও শতভাগ অনলাইন পদ্ধতিতে সার্বিক তথ্য সংগ্রহ করা হবে। একটি ডাইনামিক সোশ্যাল রেজিস্ট্রি বা গতিশীল সামাজিক নিবন্ধন ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রতি মাসে উপাত্ত হালনাগাদ করা হবে, যাতে প্রকৃত দরিদ্র ব্যক্তিরাই এই সরকারি সহায়তার প্রত্যক্ষ সুফল পান।

প্রকল্প পরিচালনায় সরকারের গঠিত তিন স্তরের তদারকি কাঠামোর অধীনে ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রথম শ্রেণির সরকারি কর্মকর্তা, উপজেলায় ইউএনও, জেলায় জেলা প্রশাসক এবং বিভাগীয় পর্যায়ে বিভাগীয় কমিশনারের নেতৃত্বে কমিটি তদারকি করবে। জাতীয় পর্যায়ের কমিটির নেতৃত্বে থাকবেন অর্থমন্ত্রী এবং পুরো কর্মসূচির অগ্রগতি নিয়মিত পর্যালোচনা করবেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী।

সহায়তার অর্থ পরিবারের নারী সদস্যদের কাছে পৌঁছানোর ওপর বিশেষ জোর দিয়ে সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, এর মাধ্যমে শিশুদের স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও শিক্ষার মান উন্নয়নের পাশাপাশি গ্রামীণ নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত হবে। এই কর্মসূচিতে কোনো রাজনৈতিক বা সামাজিক বৈষম্যের সুযোগ থাকবে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।