↩ নিউজ
প্রিন্ট এর তারিখঃ ২০ আগস্ট ২০২৬, ৯:১৭ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ ১৮ আগস্ট ২০২৬, ৬:১৪ পি.এম

অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমিয়ে কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগ বাড়াতে চায় সরকার: ‘রাজস্ব সম্মেলনে’ প্রধানমন্ত্রী

✍️ প্রতিবেদক: দীপ্ত বাংলাদেশ নিউজ ডেস্ক

সরকার অপ্রয়োজনীয় খাতে ব্যয় কমানোর নীতি নিয়ে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান। তবে দেশের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় খাতগুলোতে যথাসময়ে অর্থ বরাদ্দ নিশ্চিত করা হবে। যার যার অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করলে দেশে খুব দ্রুত ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত ‘রাজস্ব সম্মেলন-২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, সততা ও দক্ষতার সঙ্গে কাজ করা ব্যক্তিদের সরকার আরও বেশি কাজের সুযোগ তৈরি করে দিতে চায়।

এনবিআরের ভূমিকার ওপর গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাফল্যের ওপরই সরকারের সার্বিক উন্নয়ন পরিকল্পনা নির্ভর করে। অতীতে নীতি-নিয়ম উপেক্ষা করে রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত স্বার্থে পৃষ্ঠপোষকতা এবং স্বেচ্ছাচারিতার ফলে এনবিআরের প্রতি জনআস্থা বিনষ্ট হয়েছিল। বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশে একটি দক্ষ ও টেকসই ব্যবস্থার মাধ্যমে সেই হারিয়ে যাওয়া আস্থা ফিরিয়ে আনার দায়িত্ব কর্মকর্তাদের নিতে হবে।

দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি আরও বলেন, বিগত দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসনের ফলে একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি ও অতিরিক্ত ঋণনির্ভর ব্যবস্থার মুখোমুখি হতে হয়েছে। তবে বর্তমান সরকার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ওপর অতিরিক্ত ঋণের বোঝা চাপানোর পক্ষে নয়। এ জন্য অভ্যন্তরীণ আয়ের উৎস বাড়ানো এবং গণমুখী উৎপাদন নীতি প্রয়োগের ওপর জোর দিচ্ছে সরকার, যা দেশে নতুন বিনিয়োগ, শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থান তৈরি করবে।

পরিবর্তিত বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে চলার পরামর্শ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আধুনিক প্রযুক্তির বিকাশ ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ধরণ পরিবর্তনের ফলে রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। এসব চ্যালেঞ্জ সামলে উঠে সুযোগ কাজে লাগাতে রাজস্ব কর্মকর্তাদের বহুমাত্রিক দক্ষতা অর্জন অত্যন্ত জরুরি।

সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।