↩ নিউজ
প্রিন্ট এর তারিখঃ ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১১:২২ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ ২১ আগস্ট ২০২৬, ১০:১০ পি.এম

সত্য ও চিন্তার স্বাধীনতা আইনি নিষেধাজ্ঞায় দমিয়ে রাখা যায় না: তথ্যমন্ত্রী

✍️ প্রতিবেদক: দীপ্ত বাংলাদেশ নিউজ ডেস্ক

সত্য, চিন্তা এবং জনগণের রাজনৈতিক স্পৃহাকে শক্তি বা আইনি নিষেধাজ্ঞা দিয়ে চিরতরে দমিয়ে রাখা যায় না বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদী মনোজগৎ সাময়িকভাবে কাউকে নিষিদ্ধ করতে পারে বা জনগণকে বিভ্রান্ত করতে পারে, কিন্তু সব সময়ের জন্য সত্যকে বন্দি করে রাখা সম্ভব নয়। প্রকৃতি ও স্রষ্টার আইন তার নিজস্ব গতিতেই পরিভ্রমণ করে।

শুক্রবার (২১ আগস্ট) বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবে সাংবাদিক ও লেখক ইমরুল কায়েস রচিত ‘তারেক রহমান: নিষিদ্ধ সময়ে নিষিদ্ধ প্রচার’ শীর্ষক বইয়ের প্রকাশনা উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা তুলে ধরেন। প্রকাশনা সংস্থা ‘মাতৃভাষা প্রকাশ’ এই মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, তারেক রহমানকে কেন্দ্র করে লেখা এই বইটি মূলত স্বৈরাচারী ও ফ্যাসিবাদী মনোজগতের বিরুদ্ধে একটি ঐতিহাসিক সত্যের দলিল। কঠোর নিষেধাজ্ঞা ও রাজনৈতিক নিপীড়নের মুখোমুখি হয়েও তারেক রহমান ও তাঁর পরিবার যে আত্মত্যাগ স্বীকার করেছেন, তা দেশের গণতন্ত্রের প্রতি সাধারণ মানুষের আগ্রহ ও চাহিদাকে আরও বেশি শক্তিশালী করেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

ইতিহাস থেকে স্বৈরশাসকদের শিক্ষা না নেওয়ার পরিণতির চিত্র স্মরণ করিয়ে দিয়ে জহির উদ্দিন স্বপন জানান, হিটলার থেকে শুরু করে যারাই ইতিহাসকে গুরুত্ব দেয়নি, তাদের পরিণতি শেষ পর্যন্ত ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। একইভাবে শেখ হাসিনাও ইতিহাস অনুসরণ করেননি বলেই জনম্যান্ডেট হারিয়ে তাঁকে দেশ ছেড়ে চলে যেতে হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

বাংলাভিশনের প্রধান সম্পাদক ড. আবদুল হাই সিদ্দিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস এবং পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এ কে এম সেলিম রেজা হাবিব।

তাছাড়া অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ, বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট নজমুল হক নান্নু এবং বিএফইউজে-এর মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী তাদের বক্তব্য তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন মাতৃভাষা প্রকাশের প্রকাশক নেসার উদ্দীন আয়ূব এবং নিজ অনুভূতি ব্যক্ত করেন বইটির লেখক ইমরুল কায়েস।