↩ নিউজ
প্রিন্ট এর তারিখঃ ৩১ আগস্ট ২০২৬, ১:১৪ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ ৩০ আগস্ট ২০২৬, ৪:৫৬ পি.এম

ডেঙ্গু প্রতিরোধে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে সরকার: ড. আবদুল মঈন খান

✍️ প্রতিবেদক: দীপ্ত বাংলাদেশ নিউজ ডেস্ক

ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন মশাবাহিত রোগের বিস্তার রোধে সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। মশার লার্ভার উৎস ধ্বংসের পাশাপাশি প্রদেয় ওষুধের কার্যকারিতা বাড়াতে কারিগরি সক্ষমতা ও গবেষণা জোরদারের কথা বলেছেন তিনি।

রোববার (৩০ আগস্ট) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধ বিষয়ক জাতীয় টাস্কফোর্স কমিটির এক জরুরি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা জানান। সভায় সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী উল্লেখ করেন, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনসহ গাজীপুরের মতো ঘনবসতিপূর্ণ অঞ্চলগুলোতে মশা নিয়ন্ত্রণে বৈচিত্র্যময় চ্যালেঞ্জ রয়েছে। সীমিত সক্ষমতার মধ্যেও সিটি করপোরেশনগুলো নিরবচ্ছিন্ন কাজ করে যাচ্ছে। মশার লার্ভা জমার সম্ভাব্য স্থানগুলো দ্রুত চিহ্নিত করে সেখানে পানি নিষ্কাশন নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন মন্ত্রী।

তিনি আরও জানান, জাপানসহ বিশ্বের উন্নত বিভিন্ন দেশ এবং দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞদের সাথে যৌথভাবে মশা নিধনের ওষুধের কার্যকারিতা পর্যালোচনা করা হচ্ছে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সার্বিক জনসচেতনতার পাশাপাশি প্রযুক্তিনির্ভর কারিগরি ব্যবস্থা জোরদার করা হচ্ছে।

সভায় প্রতিমন্ত্রীর দেওয়া তথ্যানুযায়ী, এ বছরের জানুয়ারি থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আনুমানিক ৯০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন প্রায় ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ জন রোগী। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এবার ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় অর্ধেকের ঘরে নেমে এসেছে।

সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানিয়ে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, বাসাবাড়ির ছাদ, বারান্দা, পরিত্যক্ত টায়ার ও পাত্রে জমতে থাকা পানি নিয়মিত পরিষ্কার করা প্রয়োজন। সরকারি কর্মসূচির পাশাপাশি সাধারণ মানুষের নিজস্ব সচেতনতাই ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের প্রধান হাতিয়ার।

উক্ত জরুরি সভায় স্থানীয় সরকার ও স্বাস্থ্য বিভাগের সচিব, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা এবং দেশের ১৩টি সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা সরাসরি ও ভার্চুয়ালি অংশ নেন।