↩ নিউজ
প্রিন্ট এর তারিখঃ ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২:৫৯ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ ৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ৪:৫৬ পি.এম

কক্সবাজার-১ আসনে সালাউদ্দিন আহমদের নির্বাচনী অঙ্গীকার: মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করা হবে আমাদের শপথ

✍️ প্রতিবেদক: দীপ্ত বাংলাদেশ নিউজ ডেস্ক

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমদ তাঁর নির্বাচনী এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ ও পথসভা করেছেন। শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) নিজ নির্বাচনী এলাকা বিএমচর ইউনিয়নের বহদ্দারকাটা ষ্টেশনে আয়োজিত পথসভায় তিনি মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার শপথ ঘোষণা করেন।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “শহীদের রক্তের শপথ, বিএনপির প্রতিশ্রুতি ও জনগণের প্রত্যাশা আগামী দিনে আইনের শাসনের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হবে। গণতান্ত্রিক অধিকার, নাগরিক অধিকার, মৌলিক অধিকার, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করা হবে আমাদের শপথ।” তিনি আরও যোগ করেন, বাংলাদেশের মানুষ ১৭ বছর ধরে স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়ার অধিকার ফিরে পাওয়ার সংগ্রাম করেছে এবং আগামী জাতীয় নির্বাচনে সেই ভোট প্রয়োগ করতে হবে।

কৃষি ও স্বাস্থ্য খাতে প্রতিশ্রুতি

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অসমাপ্ত কাজগুলো বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাস্তবায়ন করা হবে বলে অঙ্গীকার করেন এই প্রার্থী।

তিনি বলেন, বিএনপি সরকার গঠন করলে—

  • কৃষির উন্নয়ন: বাংলাদেশ হবে কৃষকের বাংলাদেশ। কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ডের ব্যবস্থা করা হবে। কৃষকেরা ন্যায্যমূল্যে বিষ, সারসহ সব কিছু পাবেন এবং সহজ শর্তে কৃষি ঋণের ব্যবস্থা করা হবে।
  • স্বাস্থ্যসেবা: এই দেশে সবার স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করা হবে। কোনো মানুষ বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুবরণ করবে না।
  • সামাজিক নিরাপত্তা: সব দরিদ্র পরিবারকে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীতে নিয়ে আসা হবে এবং তাদেরকে পারিবারিক কার্ড প্রদান করে চাল, ডালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য দেওয়া হবে।

গণসংযোগে ব্যাপক সাড়া

এদিন সকাল ১১টায় নিজ নির্বাচনী এলাকায় চতুর্থ দিনের মতো গণসংযোগ শুরু করেন সালাহউদ্দিন আহমদ। তাঁর নির্বাচনী পথসভাগুলো জনসভায় রূপ নিতে দেখা যায় এবং নারী-পুরুষেরা ব্যাপক উৎসাহ নিয়ে তাঁকে স্বাগত জানান। এ সময় তিনি উপস্থিত সবার কাছে ধানের শীষে ভোট চান।

পথসভায় তাঁর সহধর্মিণী, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক সাংসদ অ্যাডভোকেট হাসিনা আহমদসহ মাতামুহুরী উপজেলা বিএনপির সভাপতি জামিল ইব্রাহীম চৌধুরী এবং অন্যান্য সিনিয়র ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।