↩ নিউজ
প্রিন্ট এর তারিখঃ ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৪:৫৩ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ৪:৩২ এ.এম

নির্বাচন ঘিরে পুলিশকে আরও সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ ডিএমপি কমিশনারের

✍️ প্রতিবেদক: দীপ্ত বাংলাদেশ নিউজ ডেস্ক

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) সদস্যদের আরও সক্রিয় ও তৎপর হওয়ার কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী। সোমবার (২২ ডিসেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ডিএমপির ৫০টি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের (ওসি) সঙ্গে আয়োজিত এক বিশেষ সভায় তিনি এই তাগিদ দেন। মূলত নির্বাচনী নিরাপত্তা ও সাম্প্রতিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতেই এই সভার আয়োজন করা হয়।

সভায় উপস্থিত ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, জাতীয় নির্বাচনের আগে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নাশকতা, হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটতে পারে। এ অবস্থায় সামনের দিনগুলোতে যাতে কোনো সরকারি বা বেসরকারি স্থাপনায় এ ধরনের কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা না ঘটে, সে জন্য প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

বৈঠকে ডিএমপি কমিশনার স্পষ্টভাবে জানান, নির্বাচনের নিরাপত্তায় কোনো ধরনের ঘাটতি বরদাশত করা হবে না। পুলিশের উপস্থিতিকে আরও দৃশ্যমান করার পাশাপাশি মাঠ পর্যায়ে কাজের গতি বাড়াতে হবে। একটি সূত্র জানিয়েছে, সম্প্রতি রাজধানীর শীর্ষস্থানীয় দুটি সংবাদপত্র ‘প্রথম আলো’ ও ‘ডেইলি স্টার’ কার্যালয়ে হামলা ঠেকাতে না পারায় সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের ওপর হতাশা ব্যক্ত করেন কমিশনার। তিনি দায়িত্বরতদের কাছে এই ব্যর্থতার সুনির্দিষ্ট কারণ জানতে চাইলে উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা জানান, হামলাকারীরা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি আটকে দেওয়ায় তারা যথাসময়ে ব্যবস্থা নিতে পারেননি।

নির্বাচনী পরিবেশ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তাদের বিশেষ দিকনির্দেশনা দেন ডিএমপি কমিশনার। তিনি বলেন, কেউ যাতে জাতীয় নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করতে না পারে, সে জন্য আইন অনুযায়ী সম্ভাব্য সব ধরনের কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। অপরাধীদের পরিচয় যাই হোক না কেন এবং তারা যে দলেরই হোক না কেন, তাদের অবিলম্বে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন তিনি। এক্ষেত্রে কোনো ধরনের ছাড় না দিতে ওসিদের প্রতি আহ্বান জানান ডিএমপি প্রধান।

বৈঠক শেষে ডিএমপির কর্মকর্তারা জানান, কমিশনারের এই নির্দেশনার পর রাজধানীর নিরাপত্তা ছক নতুন করে সাজানো হচ্ছে। বিশেষ করে স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে নজরদারি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আসন্ন নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করাই এখন পুলিশের প্রধান লক্ষ্য।