↩ নিউজ
প্রিন্ট এর তারিখঃ ২৯ মার্চ ২০২৬, ৫:৩৪ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ১১:০৭ এ.এম

আজ বাবার কবর জিয়ারত ও স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাবেন তারেক রহমান

✍️ প্রতিবেদক: দীপ্ত বাংলাদেশ নিউজ ডেস্ক

দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসন শেষে দেশে ফেরার পর আজ শুক্রবার থেকে আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি শুরু করছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। পূর্বঘোষিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, আজ তিনি তার বাবা ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজার জিয়ারত করবেন এবং সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন।

গত বুধবার গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তারেক রহমানের এই তিন দিনের কর্মসূচির বিস্তারিত তুলে ধরেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি জানান, শুক্রবার জুমার নামাজের পর তারেক রহমান তার বাসভবন থেকে প্রথমে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে যাবেন। সেখানে তিনি তার বাবার কবর জিয়ারত ও বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেবেন। সেখান থেকে তিনি সরাসরি সড়কপথে সাভারে অবস্থিত জাতীয় স্মৃতিসৌধের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন এবং মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাবেন।

সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, আগামী শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) তারেক রহমানের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি রয়েছে। ওই দিন তিনি ভোটার হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার প্রাথমিক কাজ এবং তার জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবেন। এ কাজের জন্য তিনি সশরীরে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন কমিশন অফিসে যাবেন কি না, তা পরবর্তী সময়ে জানানো হবে বলে দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে।

শনিবারের কর্মসূচির তালিকায় আরও রয়েছে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সম্মুখ যোদ্ধা ও ‘ইনকিলাব মঞ্চ’-এর মুখপাত্র শহীদ শরীফ ওসমান হাদীর কবর জিয়ারত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবরের পাশে সমাহিত হওয়া শহীদ হাদীর কবরে ফাতেহা পাঠ ও মোনাজাত করবেন তারেক রহমান।

একই দিন বিকেলে তিনি রাজধানীর শ্যামলীতে অবস্থিত পঙ্গু হাসপাতালে (নিটোর) যাবেন। সেখানে জুলাই বিপ্লবে আহত হয়ে চিকিৎসাধীন ব্যক্তিদের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেবেন এবং তাদের সঙ্গে সময় কাটাবেন। এছাড়া শনিবার আরও একটি বিশেষ অনুষ্ঠান হওয়ার কথা থাকলেও তার বিস্তারিত বিবরণ পরে জানানো হবে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়েছে। ১৭ বছর পর তারেক রহমানের এই প্রথম স্বশরীরে রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকে কেন্দ্র করে নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।