↩ নিউজ
প্রিন্ট এর তারিখঃ ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:০৫ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:০৮ পি.এম

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শেষ বিদায়ের অনুষ্ঠান আন্তরিকতা ও সুশৃঙ্খলতার সাথে সম্পন্ন করায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং সশস্ত্র বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের ভূয়সী প্রশংসা

✍️ প্রতিবেদক: দীপ্ত বাংলাদেশ নিউজ ডেস্ক

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার শেষ বিদায়ের অনুষ্ঠান অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও মর্যাদাপূর্ণভাবে সম্পন্ন হওয়ায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং বিভিন্ন বাহিনীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও তাঁর মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের নির্দেশনায় এবং বিভিন্ন বাহিনীর সমন্বয়ে এই আয়োজনের প্রশংসা করছেন দলটির নেতা-কর্মীসহ সাধারণ জনগণ।

আয়োজন সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী, নৌবাহিনী, পুলিশ, বিজিবি ও র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নসহ (র‍্যাব) অন্যান্য বাহিনীর বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও সদস্যদের অক্লান্ত পরিশ্রমে এই শেষ বিদায় অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়েছে। সংশ্লিষ্ট বাহিনীর এই আন্তরিক ভূমিকা সাধারণ মানুষের নজর কেড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও দলীয় বিভিন্ন পর্যায়ে নেতা-কর্মীরা এই আয়োজনকে কেন্দ্র করে সরকারের প্রতি ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন।

বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই বিদায়ী অনুষ্ঠানটি ছিল সাম্প্রতিক ইতিহাসের অন্যতম সুন্দর ও শৃঙ্খলিত একটি আয়োজন। একটি সুশৃঙ্খল বাহিনী হিসেবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী যে সাধারণ মানুষের শেষ ভরসার স্থল, এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে তা আবারও প্রমাণিত হয়েছে বলে মনে করছেন অনেকে।

এ বিষয়ে দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃত্বস্থানীয় ব্যক্তিরা ভূয়সী প্রশংসা করে জানিয়েছেন, সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এই সহযোগিতা রাজনৈতিক সৌজন্যবোধের এক অনন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে। সরকারের আন্তরিকতা এবং বাহিনীর পেশাদারিত্বের কারণে পুরো প্রক্রিয়াটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে।

সবশেষে, একটি সমৃদ্ধ ও সুশৃঙ্খল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়েছে। বিশেষ করে দেশ ও দশের সেবায় সেনাবাহিনীর ইতিবাচক ভূমিকা সামনের দিনগুলোতেও অব্যাহত থাকবে বলে তৃণমূল পর্যায় থেকে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।