↩ নিউজ
প্রিন্ট এর তারিখঃ ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১:১৯ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৬:০৭ এ.এম

সরকার গঠন করলে যুবকদের সামরিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে: আসিফ মাহমুদ

✍️ প্রতিবেদক: দীপ্ত বাংলাদেশ নিউজ ডেস্ক

এনসিপির মুখপাত্র এবং সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, তাদের জোট সরকার গঠন করলে দেশের যুবকদের জন্য সামরিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন।

আসিফ মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশ তিন দিক থেকে একটি দেশ দ্বারা ঘেরাও হয়ে আছে। প্রতিবেশী দেশ থেকে ভালো আচরণ প্রত্যাশিত হলেও তারা বাংলাদেশকে ‘ছোট প্রতিবেশী’ হিসেবে বিবেচনা করে। এর প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ১১ দলীয় ঐক্য জোট ক্ষমতায় এলে সামরিক বাহিনীর অধীনে যুবকদের সামরিক ট্রেনিং দেওয়া হবে এবং এই জনবল দ্বিগুণ করা হবে।

প্রশাসনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে তিনি এক অভিনব পরিকল্পনার কথা জানান। তিনি বলেন, “আমরা সরকার গঠন করলে ‘হিসাব দাও’ নামক ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আয়-ব্যয়ের হিসাব সাধারণ মানুষের কাছে প্রকাশ করব।” নিজের সততার দৃষ্টান্ত দিয়ে তিনি উল্লেখ করেন যে, উপদেষ্টা পদ থেকে বিদায় নেওয়ার সময় তিনি সরকারি বাড়ি ও আসবাবপত্র যথাযথভাবে ফেরত দিয়েছেন।

বক্তব্যে তিনি ২০০৯ সালের বিডিআর বিদ্রোহ থেকে শুরু করে শাপলা চত্বরের ঘটনা এবং ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের সকল শহীদের হত্যার বিচার করার প্রতিশ্রুতি দেন। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি বলেন, দেশের সংস্কারে তার অবদান অনস্বীকার্য, তবে শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনা ছিল একটি রাজনৈতিক ভুল। এর ফলে পরবর্তী সময়ে বেগম খালেদা জিয়াসহ দেশের মানুষকে চরম নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সমালোচনা করে আসিফ মাহমুদ বলেন, একটি দল গণভোটে দ্বিমুখী আচরণ করছে এবং গোপনে ‘না’ ভোটের প্রচার চালাচ্ছে। কৃষকদের ঋণ মওকুফ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, একটি দল বারবার এই প্রতিশ্রুতি দিলেও গত ২৫ বছরে তা বাস্তবায়ন করেনি।

পথসভায় তিনি স্থানীয় নেতা সাইফুল্লাহ হায়দারের পক্ষে ভোট চেয়ে জানান যে, এলাকার উন্নয়নে ইতিমধ্যে ৩ কোটি ৪০ লাখ টাকার বিশেষ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। সভায় এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা মনিরা শারমিন, কামরুজ্জামান বাবলুসহ বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।