↩ নিউজ
প্রিন্ট এর তারিখঃ ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৫:২৮ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:৪০ এ.এম

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের পর অপতথ্য দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করা হয়েছিল: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

✍️ প্রতিবেদক: দীপ্ত বাংলাদেশ নিউজ ডেস্ক

২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় বিডিআর সদর দফতরে সংঘটিত বর্বরোচিত সেনা হত্যাকাণ্ডের পর নানা মিথ্যা ও অপতথ্য দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এই মন্তব্য করেন।

প্রধানমন্ত্রী তার বাণীতে উল্লেখ করেন, পিলখানায় ৫৭ জন অকুতোভয় সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জনের প্রাণহানির পেছনে যে গভীর দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র ছিল, তা আজ ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে জনগণের কাছে অত্যন্ত স্পষ্ট। তিনি বলেন, “বিচারাধীন বিষয় হওয়ায় এটি নিয়ে বিস্তারিত বলার অবকাশ নেই, তবে এই হত্যাকাণ্ডের পেছনের অপশক্তিকে চেনা প্রতিটি নাগরিকের জন্য জরুরি।”

জনাব তারেক রহমান আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, ২০০৯ সালের পর থেকে এই দিনটিকে যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে পালন করা হয়নি। তবে ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হওয়ার পর থেকে সরকার দিনটিকে রাষ্ট্রীয়ভাবে ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে পালন করছে। তিনি শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

সশস্ত্র বাহিনীকে একটি স্বাধীন দেশের সম্মান ও বীরত্বের প্রতীক হিসেবে অভিহিত করে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ভবিষ্যতে কেউ যেন এই বাহিনীর গৌরব ক্ষুণ্ণ বা কোনো ষড়যন্ত্র করতে না পারে, সেজন্য আজ পুনরায় শপথে বলীয়ান হতে হবে। দেশ ও জনগণের স্বার্থবিরোধী যেকোনো চক্রান্তের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়ানোই হোক এই দিবসের মূল প্রত্যয়।