↩ নিউজ
প্রিন্ট এর তারিখঃ ১৮ মার্চ ২০২৬, ১০:৪২ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ ১৮ মার্চ ২০২৬, ৪:৩৮ পি.এম

ইসরায়েলের ১০০ লক্ষ্যবস্তুতে ইরানের ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, লারিজানি হত্যার প্রতিশোধ

✍️ প্রতিবেদক: দীপ্ত বাংলাদেশ নিউজ ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। ইরানের সামরিক বাহিনী ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৪’-এর অংশ হিসেবে অধিকৃত ইসরায়েলি ভূখণ্ডের ১০০টিরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে একযোগে ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। বুধবার (১৮ মার্চ) ইরানের বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

অপারেশনের শুরু থেকে ৬১তম দফার এই হামলায় ইরানের সশস্ত্র বাহিনী তাদের অত্যাধুনিক খোররামশাহর-৪, কাদর, এমাদ ও খাইবার-শেকান ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে সরাসরি তেল আবিবকে লক্ষ্য করে আঘাত হানে। ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব আলী লারিজানি এবং তার সহযোগীদের হত্যার প্রতিশোধ নিতেই এই হামলা চালানো হয়েছে বলে তেহরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

ইরানের সামরিক বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে, একাধিক ওয়ারহেড বহনে সক্ষম খোররামশাহর-৪ ও কাদর ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ইসরায়েলের বহুস্তরীয় উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (যেমন আয়রন ডোম বা অ্যারো) ভেদ করে নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে সফলভাবে আঘাত হেনেছে। এই তীব্র হামলায় অধিকৃত অঞ্চলের কেন্দ্রস্থলে থাকা গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও নিরাপত্তা স্থাপনাগুলো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, হামলার পর তেল আবিবের বেশ কিছু এলাকায় সম্পূর্ণ বিদ্যুৎ বিপর্যয় বা ‘ব্ল্যাকআউট’ দেখা দিয়েছে। এতে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনায় ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ চরম চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, এই হামলায় ২৩০ জনেরও বেশি মানুষ হতাহত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনি এবং বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা নিহতের ঘটনার পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা চরম আকার ধারণ করে। ইরান অভিযোগ করে আসছিল যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল উসকানিবিহীনভাবে তাদের স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। এর জবাবেই ইরান বর্তমানে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের মাধ্যমে পাল্টাপাল্টি হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।