↩ নিউজ
প্রিন্ট এর তারিখঃ ২৮ মার্চ ২০২৬, ৪:২২ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ ২৭ মার্চ ২০২৬, ৬:২৯ এ.এম

দৌলতদিয়ায় বাসডুবি: যান্ত্রিক ত্রুটি নাকি চালকের অসাবধানতা, উঠে আসছে নানা তথ্য

✍️ প্রতিবেদক: দীপ্ত বাংলাদেশ নিউজ ডেস্ক

দৌলতদিয়া ঘাটে সৌহার্দ্য পরিবহনের বাসটি পদ্মা নদীতে তলিয়ে যাওয়ার ঘটনায় ব্রেক ফেইল এবং যান্ত্রিক ত্রুটির একাধিক নতুন তথ্য সামনে এসেছে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, দুর্ঘটনার ঠিক আগমুহূর্তে বাসচালক ব্রেক চাপলেও তা কাজ করেনি। সংশ্লিষ্টদের মতে, কিছু বাসের স্টার্ট বন্ধ থাকলে পরে স্টার্ট দিয়েই ব্রেক চাপ দিলে তা সঙ্গে সঙ্গে কাজ করে না। এ ক্ষেত্রেও তেমনটিই ঘটে থাকতে পারে।

এই রুটে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করা মেকানিকদের দাবি, বাসটির ব্রেকের হাওয়া বা এয়ার প্রেশার শেষ হয়ে যাওয়ায় চালক নিয়ন্ত্রণ হারান। তাঁদের ভাষ্য, টাটা কোম্পানির টিসি মডেলের বাসে ইঞ্জিন বন্ধ থাকলে অনেক সময় ব্রেকে প্রয়োজনীয় চাপ থাকে না, ফলে গাড়ি থামানো কঠিন হয়ে পড়ে। বাসের মেকানিকরা জানান, ব্রেকের হাওয়া একটি স্বয়ংক্রিয় সিস্টেম, এটি কাজ না করলে চালকের আর কিছুই করার থাকে না।

তবে ঘাট সংশ্লিষ্টদের মধ্যে আরেকটি প্রশ্ন উঠেছে—বাসটি মূল ড্রাইভার চালাচ্ছিলেন নাকি হেল্পার চালিয়ে ফেরিতে ওঠানোর চেষ্টা করছিলেন। ঘাট সংশ্লিষ্ট একাংশের দাবি, চালক একাধিকবার চেষ্টা করেও বাসটি থামাতে পারেননি এবং হেল্পার গাড়িটি চালাচ্ছিলেন। বিপরীতে বাসের এক যাত্রী সূত্রে জানা গেছে, যে চালক গাড়িটি নিয়ে আসছিলেন ফেরিতে তিনিই ওঠাচ্ছিলেন। ওই যাত্রী চালকের কোমরে ড্রাইভিং লাইসেন্স ঝোলানো দেখেছেন বলে দাবি করেন।

এদিকে সৌহার্দ্য বাসের অন্য একজন চালক এই যান্ত্রিক প্রক্রিয়ার ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, ‘গাড়ি স্টার্টে থাকলে হাওয়া চলে যায় না। কিন্তু স্টার্ট বন্ধ করলে হাওয়া যাবেই। মিটারে খেয়াল করলে হাওয়া কমে যাচ্ছে নাকি ঠিক আছে তা দেখা যায়। হাওয়া ওঠাতে হলে কিছু সময় আগে গাড়ি স্টার্টে রাখতে হয়। দুর্ঘটনাকবলিত বাসের চালক স্টার্ট দিয়েই হাওয়ার মিটার না দেখেই টান দিয়েছেন। এ কারণে ব্রেক চাপলেও কাজ করেনি।’