চুয়াডাঙ্গা-দর্শনা আঞ্চলিক মহাসড়কটি ২০২২ সালে প্রায় ৯ কোটি টাকা ব্যয়ে সংস্কার করা হলেও মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই সড়কটি আবার নষ্ট হয়ে গেছে। এখন পুরো সড়কে বড় বড় গর্ত, ফাটল আর ধস— যেকারণে প্রতিদিনই বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি। আড়াই বছরে কমপক্ষে ১০ বার জোড়াতালি দেওয়া হলেও স্থায়ী উন্নতি হয়নি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, নিম্নমানের কাজ করে ঠিকাদার ও সংশ্লিষ্টরা সরকারি টাকা লুটপাট করেছে। প্রকল্পের সঠিক বাস্তবায়ন না হওয়ায় এখন সাধারণ মানুষই ভোগান্তিতে পড়েছে।
সওজ সূত্র জানায়, চুয়াডাঙ্গা কারাগার থেকে ডুগডুগি বাজার পর্যন্ত ৯ দশমিক ৭ কিলোমিটার সড়কটির সংস্কার কাজ শুরু হয় ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে। ব্যয় ধরা হয় ৮ কোটি ৬২ লাখ টাকা। কাগজে ঠিকাদার ছিল জহিরুল লিমিটেড, তবে স্থানীয়ভাবে কাজ করেন যুবলীগের সাবেক আহ্বায়ক আরফিন আলম রঞ্জু। একই বছরের নভেম্বরে কাজ শেষ হয়।
সরেজমিন দেখা যায়, সংস্কারের পর অল্পদিন ভালো থাকলেও বর্তমানে প্রায় ১০ কিলোমিটারজুড়ে সড়কটি জোড়াতালি নির্ভর ও ঝুঁকিপূর্ণ। প্রতিদিন হাজারো যানবাহন চলাচল করে দর্শনা, মুজিবনগর ও জীবননগর সংযোগের এই গুরুত্বপূর্ণ পথে।
স্থানীয়রা জানান, বারবার মেরামত করেও কোনো সমাধান হচ্ছে না। কয়েকজন দুর্ঘটনায় প্রাণও হারিয়েছেন।
সওজের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী সুজাত কাজী বলেন, “এটি শুধু কার্পেটিং নয়, পুরো সড়ক পুনর্নির্মাণ করা প্রয়োজন ছিল। তাই দ্রুত নষ্ট হয়েছে। স্থায়ী সমাধানের জন্য বড় প্রকল্প জরুরি।”



