কৃষিপণ্য রপ্তানিমুখী না হওয়া পর্যন্ত অর্থনীতি স্থির হবে না: কৃষি ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

✍️ প্রতিবেদক: দীপ্ত বাংলাদেশ নিউজ ডেস্ক

নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণসহ প্রতিটি স্তরে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। তিনি বলেন, দেশের মানুষের জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি এবং খাদ্যে যাতে কোনোভাবেই হেভি মেটাল বা ভারী ধাতু প্রবেশ করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

রোববার (১৭ মে) রাজধানীর খামারবাড়িতে অবস্থিত বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক কৃষি গবেষণা সংস্থা সিজিআইএআর-এর পরামর্শক কমিটির ১০ম সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএআরসি’র নির্বাহী চেয়ারম্যান ও সিজিআইএআর পরামর্শক কমিটির চেয়ারপার্সন ড. মো. আবদুছ ছালাম।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের চমৎকার আবহাওয়া ও উর্বর মাটি খাদ্য উৎপাদনের জন্য অত্যন্ত অনুকূল। এর ফলে বাংলাদেশ বিশ্বের খাদ্য উৎপাদনের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র বা হাব হয়ে ওঠার সক্ষমতা রাখে। এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে কৃষিকে রপ্তানিমুখী করতে হবে। কারণ কৃষিপণ্য রপ্তানিমুখী না হওয়া পর্যন্ত দেশের অর্থনীতি পুরোপুরি স্থির হবে না।

পরিবেশ ও মানবস্বাস্থ্যের সুরক্ষার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, রাসায়নিক সারের অতিব্যবহার জমি ও জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। তাই কীভাবে সারের ব্যবহার কমিয়ে আনা যায়, সে বিষয়ে ব্যাপকভিত্তিক ও বিশদ কাজ করা প্রয়োজন। সারের অতিরিক্ত নির্ভরতা থেকে কৃষকদের বের করে আনতে হবে।

তাছাড়া সেচ ব্যবস্থায় আধুনিকায়নের কথা জানিয়ে আমিন উর রশিদ বলেন, দেশের কৃষি সেচ ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণভাবে সোলারের আওতায় নিয়ে আসার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। চলতি বছরের মধ্যেই যতটুকু সম্ভব সেচ পাম্প সোলারের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সচিব ড. রফিকুল ই মোহামেদ। অন্যান্যের মধ্যে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের উচ্চপদস্থ প্রতিনিধিরা এই অংশীজন সভায় অংশ নেন।