বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতায় টিকতে টেকসই উৎপাদন পদ্ধতি জরুরি: প্রধানমন্ত্রী

✍️ প্রতিবেদক: দীপ্ত বাংলাদেশ নিউজ ডেস্ক

বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতায় টিকতে টেকসই উৎপাদন পদ্ধতি গ্রহণ করা জরুরি বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান। মঙ্গলবার (৯ জুন) বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস উপলক্ষে সোমবার (৮ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতি বছর এই দিবসটি আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের পণ্য ও সেবার নিরাপত্তা, গুণগত মান এবং আস্থার গুরুত্বকে নতুন করে স্মরণ করিয়ে দেয়। বর্তমান বিশ্বে উদ্ভাবন, আস্থা এবং টেকসই উন্নয়ন একে অপরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কযুক্ত এবং এটিই অর্থনৈতিক অগ্রগতির অন্যতম প্রধান ভিত্তি। এই প্রেক্ষাপটে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড (বিএবি) কর্তৃক বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস উদযাপনের উদ্যোগ অত্যন্ত সময়োপযোগী।

ইন্টারন্যাশনাল অ্যাক্রেডিটেশন ফোরাম (আইএএফ) এবং ইন্টারন্যাশনাল ল্যাবরেটরি অ্যাক্রেডিটেশন কো-অপারেশন (আইএলএসি) প্রতি বছর ৯ জুন বিশ্বব্যাপী এই দিবসটি পালন করে থাকে।

বিবৃতিতে তারেক রহমান উল্লেখ করেন, বর্তমান যুগের ভোক্তারা আগের চেয়ে অনেক বেশি সচেতন। তারা শুধু পণ্যের গুণগত মান দেখেই সন্তুষ্ট থাকেন না, বরং এর উৎপাদনের নৈতিকতা, সামাজিক দায়িত্ববোধ এবং পরিবেশের ওপর এর সামগ্রিক প্রভাবও সমানভাবে বিবেচনায় নেন। আর এ কারণেই আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে আমাদের দ্রুত উদ্ভাবনী ও টেকসই উৎপাদন ব্যবস্থার দিকে ধাবিত হতে হবে।

অ্যাক্রেডিটেশনকে একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মান নিশ্চিতকরণ ব্যবস্থা হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটি নির্দিষ্ট মানদণ্ডের ভিত্তিতে পণ্য ও সেবার গুণগত মান যাচাই করে। এটি শুধু একটি সাধারণ সনদ বা স্বীকৃতি নয়, বরং দেশের শিল্প খাতকে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকিয়ে রাখার একটি শক্তিশালী হাতিয়ার। এর মাধ্যমে বিএবি বাংলাদেশের পণ্য ও সেবাকে বিশ্ববাজারে আরো গ্রহণযোগ্য ও বিশ্বাসযোগ্য করে তুলছে।

তাছাড়া দেশের মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার চিত্র তুলে ধরে তিনি জানান, এ পর্যন্ত বিএবি দেশে ১৬৮টি সরকারি, বেসরকারি ও বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানকে অ্যাক্রেডিটেশন সনদ প্রদান করেছে। বর্তমানে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে পাঁচটি সুনির্দিষ্ট ক্ষেত্রভিত্তিক স্কিমের মাধ্যমে এই কার্যক্রম দেশব্যাপী পরিচালিত হচ্ছে।

সবশেষে বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস দেশের মান অবকাঠামোকে আরো শক্তিশালী করবে এবং দেশের উদ্ভাবন ও টেকসই উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে আরো ত্বরান্বিত করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী।