বাংলাদেশের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ভ্রমণ সতর্কতা (ট্রাভেল অ্যাডভাইজরি) হালনাগাদ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির সর্বশেষ মূল্যায়নে বাংলাদেশকে ‘লেভেল-৩’ (পুনর্বিবেচনা করে ভ্রমণ) থেকে কমিয়ে ‘লেভেল-২’ (অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করে ভ্রমণ)-এ নামিয়ে আনা হয়েছে। এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের পর্যালোচনায় বাংলাদেশ এখন ভ্রমণের জন্য আগের চেয়ে অধিক নিরাপদ হিসেবে প্রতিফলিত হলো।
বৃহস্পতিবার ঢাকায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত সার্জিও গর-এর মধ্যে একটি ফলপ্রসূ দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষেই বিশেষ দূত সার্জিও গর খুদে বার্তার (টেক্সট মেসেজ) মাধ্যমে পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে ভ্রমণ সতর্কতা কমানোর বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্তটি আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করেন। উক্ত গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরও উপস্থিত ছিলেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ভ্রমণ সতর্কতার এই ইতিবাচক উন্নয়ন বাংলাদেশের বিদ্যমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং সামাজিক স্থিতিশীলতার ওপর মার্কিন প্রশাসনের ক্রমবর্ধমান বিশ্বাসের প্রতীক। গত ছয় মাসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার সারা দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির যে দৃশ্যমান অগ্রগতি এনেছে, এই সিদ্ধান্ত তারই স্বীকৃতি। পাশাপাশি এটি ঢাকা ও ওয়াশিংটনের দীর্ঘদিনের দ্বিপক্ষীয় অংশীদারত্বকে আরও শক্তিশালী করবে।
সরকার মনে করছে, যুক্তরাষ্ট্রের এই হালনাগাদ সিদ্ধান্তের ফলে দেশে আন্তর্জাতিক ভ্রমণ, বৈদেশিক বাণিজ্য, নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগের জন্য একটি অত্যন্ত সুসংহত পরিবেশ তৈরি হবে।



