তামাক ও নিকোটিনের মরণঘাতী প্রভাব থেকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষা করতে পারিবারিক পর্যায়ে সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি উল্লেখ করেন, পর্যাপ্ত সচেতনতার অভাবেই দেশে প্রতিনিয়ত অসংক্রামক ব্যাধির মাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ঢাকা আহছানিয়া মিশন আয়োজিত ‘অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ এবং তামাক ও নিকোটিনের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুরক্ষায় করণীয়’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সতর্ক করে বলেন, তামাক ক্যানসারের মতো মারাত্মক ও প্রাণঘাতী ব্যাধির অন্যতম প্রধান কারণ হয়ে অনেক মানুষের অকালমৃত্যু ঘটাচ্ছে। নতুন প্রজন্মকে তামাকের থাবা থেকে বাঁচাতে এর ক্ষতিকর দিকগুলো সাধারণ মানুষের কাছে আরও ব্যাপকভাবে ছবি ও বার্তার মাধ্যমে তুলে ধরা প্রয়োজন।
বিশেষ করে কৈশোর থেকেই যাতে শিক্ষার্থীরা তামাকের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পায়, সেই লক্ষ্যে উদ্যোগ নেওয়ার প্রতি জোর দেন মন্ত্রী। তিনি মনে করেন, ছোটবেলা থেকেই সঠিক ধারণা ও সচেতনতা গড়ে উঠলে ভবিষ্যতে তারা তামাক গ্রহণ থেকে নিজেদের দূরে রাখতে পারবে।
বক্তব্যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) ‘ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন টোব্যাকো কন্ট্রোল’ (এফসিটিসি)-এর নির্দেশনা অনুসরণের তাগিদ দেন মন্ত্রী। তামাক নিয়ন্ত্রণে আরও বেশি সমন্বিত, কার্যকর ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ বাস্তবায়নের আহ্বান জানান তিনি।
ঢাকা আহছানিয়া মিশনের সহ-সভাপতি এস এম ড. খলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল অনকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সৈয়দ মো. আকরাম হোসেন, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব শেখ মোমেনা মনি এবং বিসিআইসি’র সাবেক চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান বক্তব্য দেন। সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য দেন সংগঠনের স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সেক্টরের পরিচালক ইকবাল মাসুদ এবং মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রকল্প সমন্বয়কারী শরিফুল ইসলাম।



