প্রবাসীদের কষ্টার্জিত রেমিট্যান্স ও স্থানীয় সহযোগিতাকে কাজে লাগিয়ে দেশের স্বাস্থ্যসেবার মান আরও উন্নত করতে সরকার বদ্ধপরিকর বলে জানিয়েছেন কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। তিনি উল্লেখ করেন, সিলেট ডায়াবেটিক হাসপাতাল এই অঞ্চলের সাধারণ ও মধ্যবিত্ত মানুষের ডায়াবেটিস চিকিৎসার অন্যতম প্রধান ভরসাস্থল।
বুধবার বিকালে হাসপাতালটির সভা কক্ষে সার্বিক চিকিৎসাসেবা ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ে আয়োজিত এক বিশেষ মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকার দেশের স্বাস্থ্য খাতের আধুনিকায়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। কোনো মানুষ যেন শুধু টাকার অভাবে চিকিৎসা সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হয়, সেই লক্ষ্যে হাসপাতালের আধুনিকায়ন ও সেবার পরিধি বাড়াতে দ্রুত নানামুখী টেকসই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে। তিনি হাসপাতালের অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি সেবার মানসিকতার ওপর জোর দেন। একই সঙ্গে সব চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের আরও বেশি আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে সাধারণ মানুষকে সেবা দেওয়ার আহ্বান জানান।
সিলেট ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ডা. এমএ আহবাবের সভাপতিত্বে ও ডা. আব্দুল মোক্তাদির কোরেশী সুমনের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত নেতৃবৃন্দ ও চিকিৎসকরা হাসপাতালে আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম সংযোজন এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। জবাবে মন্ত্রী এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও সরকারি সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন। অনুষ্ঠান শেষে সিলেট ডায়াবেটিক সমিতির পক্ষ থেকে মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীকে একটি সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।
উক্ত মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন—সিলেট ডায়াবেটিক সমিতির সহ-সভাপতি ডা. শিব্বির আহমদ শিবলী ও ডা. মো. শামীমুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শিবব্রত ভৌমিক চন্দন ও ইশতিয়াক আহমদ সিদ্দিকী, প্রবীণ সাংবাদিক আফতাব চৌধুরী, কোষাধ্যক্ষ এমএ মান্নান, যুগ্ম কোষাধ্যক্ষ সুমন বণিকসহ হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, কর্মকর্তা এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।



