মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ইরানের সাম্প্রতিক ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে সাতটি প্রভাবশালী দেশ। এক যৌথ বিবৃতিতে তারা এই সামরিক পদক্ষেপকে ‘অবিবেচক ও বেপরোয়া’ আখ্যা দিয়ে একে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য চরম হুমকি বলে উল্লেখ করেছে।
যৌথ বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারী দেশগুলো হলো— যুক্তরাষ্ট্র, বাহরাইন, জর্ডান, কুয়েত, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত। তারা দেশগুলোর সার্বভৌম ভূখণ্ডে ইরানের এই ‘অন্যায় ও অযৌক্তিক হামলা’র কঠোর সমালোচনা করে বলেছে, এটি শুধু বেসামরিক জনগণের জীবনকেই ঝুঁকিতে ফেলেনি, বরং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোরও ব্যাপক ক্ষতি করেছে।
বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে বলা হয়, তেহরানের এই উসকানিমূলক পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যে একটি বিপজ্জনক উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে, যা পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তা ও দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতাকে খাদের কিনারে ঠেলে দিচ্ছে। দেশগুলো এই হামলাকে আন্তর্জাতিক আইন ও কূটনৈতিক শিষ্টাচারের পরিপন্থী বলেও মন্তব্য করে।
সাত দেশের প্রতিনিধিরা জানান, নিজ নিজ নাগরিকদের সুরক্ষা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা রক্ষায় তারা পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ রয়েছে। একই সঙ্গে তারা আত্মরক্ষার অধিকার দৃঢ়ভাবে পুনর্ব্যক্ত করেন এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের যেকোনো হামলার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার সংকল্প ব্যক্ত করেছেন। মূলত যুক্তরাষ্ট্র ও তার আরব মিত্রদের এই অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান সংকটময় পরিস্থিতিতে নতুন এক কূটনৈতিক মেরুকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে।



