প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া ও চীন সফর দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে: সংসদে মির্জা ফখরুল

✍️ প্রতিবেদক: দীপ্ত বাংলাদেশ নিউজ ডেস্ক

প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা জনাব তারেক রহমানের সাম্প্রতিক মালয়েশিয়া ও চীন সফরের মাধ্যমে দুই দেশের সঙ্গে পারস্পরিক মর্যাদা ও স্বার্থের ভিত্তিতে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

২১ থেকে ২৬ জুন পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর এই দুই দেশ সফরের ‘অভূতপূর্ব সাফল্যের’ স্বীকৃতি হিসেবে জাতীয় সংসদে ধন্যবাদ প্রস্তাব উত্থাপনকালে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী এ কথা বলেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে অধিবেশন চলাকালে প্রস্তাবটি উত্থাপন করা হলে তা পরে সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, দীর্ঘ ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে গণআন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়ে গঠিত গণতান্ত্রিক সরকারের প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের এই সফর বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ছিল। এই সফরের মাধ্যমে মালয়েশিয়া ও চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের বিদ্যমান সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় ও শক্তিশালী হয়েছে।

সফরের দ্বিপক্ষীয় অর্জনের তথ্য তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, চীন সফরকালে দেশটির সঙ্গে বাংলাদেশের মোট ১৭টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। এ ছাড়া দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ের ফলপ্রসূ বৈঠকের মাধ্যমে অর্থনৈতিক সহযোগিতা, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ইতিবাচক অগ্রগতির মজবুত ভিত্তি তৈরি হয়েছে।

রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে পরিবর্তনের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী বিদেশ সফরে যাওয়া এবং ফিরে আসার সময় জাঁকজমকপূর্ণ সংবর্ধনা নেওয়ার যে প্রচলিত রাজনৈতিক সংস্কৃতি দেশে ছিল, তা বন্ধ করে দিয়ে একটি ইতিবাচক পরিবর্তনের অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। বাংলাদেশের মানুষ তাঁর এই দৃঢ়তা ও জনগণের কল্যাণে কাজ করার নতুন মানসিকতাকে সাধুবাদ জানিয়েছে।

উত্থাপিত এই ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর সাধারণ আলোচনায় আরও অংশ নেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। আলোচনা শেষে স্পিকার ধন্যবাদ প্রস্তাবটি ভোটে দিলে তা সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়।