সরকারি দপ্তরে জাতীয় পতাকার আইনবহির্ভূত ব্যবহার বন্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের

✍️ প্রতিবেদক: দীপ্ত বাংলাদেশ নিউজ ডেস্ক

সরকারি অফিস ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকার আইনবহির্ভূত ও অবমাননাকর ব্যবহার বন্ধে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ নির্দেশ বাস্তবায়নে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে।

জনস্বার্থে করা এক রিট আবেদনের শুনানি শেষে মঙ্গলবার বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি এস এম ইফতেখার উদ্দিন মাহমুদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন।

আদালতের জারিকৃত রুলে জাতীয় পতাকা পেছনে রেখে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অফিসে বসা এবং নিয়মবহির্ভূতভাবে পতাকা ব্যবহারের কার্যক্রম কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে।

একই সঙ্গে জাতীয় পতাকা ব্যবহারের বিধিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে কি না, তা যাচাইয়ের জন্য তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা, সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত এই কমিটিকে আগামী ৬০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

দাখিল করার আদেশে বলা হয়, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দপ্তরে জাতীয় পতাকা ব্যবহারের আইনগত অধিকার এবং পতাকার নির্ধারিত দৈর্ঘ্য, প্রস্থসহ সঠিক স্পেসিফিকেশন মেনে চলা হচ্ছে কি না, প্রতিবেদনে তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

আদালতে আইনজীবী শরীফ সরকারের করা রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার এইচ এম সানজিদ সিদ্দিকী।

শুনানি শেষে আইনজীবী জানান, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারীর অফিসে চেয়ারের পেছনে বা টেবিলের পাশে ‘বাংলাদেশের পতাকা বিধিমালা, ১৯৭২’ লঙ্ঘন করে পতাকা ব্যবহারের যে চিত্র গণমাধ্যমে এসেছে, তা পতাকার অবমাননা ও আইন পরিপন্থি।