বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে দেশের বন্দর নিয়ে করা রাষ্ট্রীয় চুক্তির প্রতিবাদে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন ‘যমুনা’ ঘেরাও কর্মসূচিতে পুলিশের লাঠিচার্জে বাম সংগঠনের ১২ নেতাকর্মী আহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) দুপুরের দিকে আহত অবস্থায় তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন— সিপিবি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য কাজী রুহুল আমিন, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি জহুর লাল রায়, বাসদ ও মার্কসবাদী নির্বাহী ফোরামের সদস্য সীমা দত্ত, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সহ-সভাপতি শাহিনুর আক্তার সুমিসহ অন্যান্য ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
সিপিবি নেতা ইকবাল হোসেন জানান, তাঁদের কর্মসূচি ছিল প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় যমুনা ঘেরাও। তাঁরা যমুনা অভিমুখে রওনা দিলে পুলিশ বাধা দেয় এবং লাঠিচার্জ করে। এতে তাঁদের ১২ জন নেতাকর্মী আহত হন।
তবে পুলিশের রমনা বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলম গণমাধ্যমকে বলেন, প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন এলাকায় মিছিল, মিটিং ও সমাবেশ নিষিদ্ধ। তিনি লাঠিপেটার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “তাদের যমুনার দিকে যেতে বাধা দেওয়া হয়। এ সময় তাদের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি হয়। এটাকে সেই অর্থে লাঠিপেটা বলা যাবে না।”
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, আহত অবস্থায় ১২ জনকে জরুরি বিভাগে আনা হয়েছিল। তাঁরা চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল ত্যাগ করেছেন।



