আগামী বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট। এ উপলক্ষে জনসাধারণের চলাচল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যানবাহন চলাচলের ওপর সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বুধবার রাত ১২টা থেকে শুরু করে বৃহস্পতিবার মধ্যরাত পর্যন্ত সারা দেশে ট্যাক্সিক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচল বন্ধ থাকবে।
মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে কড়াকড়ি আরও বেশি আরোপ করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাত ১২টা থেকেই এই নিষেধাজ্ঞা শুরু হয়েছে, যা চলবে ভোটের পরের দিন শুক্রবার রাত ১২টা পর্যন্ত। তবে সাংবাদিক, পর্যবেক্ষক বা নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্ষেত্রে কমিশনের স্টিকার ও অনুমতি সাপেক্ষে এই নিয়ম শিথিলযোগ্য হবে।
জরুরি সেবায় ছাড়: নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট করেছে যে, জরুরি সেবা যেমন—ওষুধ, স্বাস্থ্য-চিকিৎসা, সংবাদপত্র ও ফায়ার সার্ভিসের কাজে ব্যবহৃত যানবাহনগুলো এই নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সশস্ত্র বাহিনীর গাড়ি যথারীতি চলাচল করবে। বিদেশগামী যাত্রী বা বিমানবন্দর থেকে আসা যাত্রীদের ক্ষেত্রে টিকিট বা সমজাতীয় প্রমাণ দেখালে ব্যক্তিগত যানবাহন চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে। একই সাথে দূরপাল্লার যাত্রী বহনকারী যানবাহনগুলোও চলতে পারবে।
প্রার্থী ও সাংবাদিকদের যাতায়াত: প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও তাঁদের নির্বাচনী এজেন্টরা রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন সাপেক্ষে একটি করে ছোট যানবাহন (জিপ বা কার) ব্যবহার করতে পারবেন। এছাড়া টেলিযোগাযোগ সেবার সাথে যুক্ত বিটিআরসি অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানগুলোর যানবাহন চলাচলেও নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হয়েছে।
মেট্রোরেল ও মহাসড়ক: ভোটের দিন রাজধানী ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার ভোটারদের যাতায়াত সহজ করতে মেট্রোরেল চলাচল স্বাভাবিক রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা মাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড। প্রয়োজনে ট্রেনের সংখ্যা বা ফ্রিকোয়েন্সি বাড়ানো হতে পারে। এছাড়া জাতীয় মহাসড়ক ও আন্তঃজেলা সংযোগ সড়কগুলোতে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ কমিশনারদের ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে।



