পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহযোগিতা ও আস্থার ভিত্তিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান। শুক্রবার (৬ মার্চ) ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের সম্মানে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে তিনি এই মন্তব্য করেন।
ইফতারের আগে দেওয়া শুভেচ্ছা বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজকের এই ইফতার শুধু একটি আনুষ্ঠানিক আয়োজন নয়; এটি আমাদের নানা জাতি, ধর্ম ও সংস্কৃতির মানুষের পারস্পরিক সম্মান ও ঐক্যের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। এই মূল্যবোধই একটি শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনের ভিত্তি।” তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বর্তমান সরকার দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সুদৃঢ় রাখা, মানবাধিকার নিশ্চিত করা এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিতে বদ্ধপরিকর।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তাঁর পরিবারের সদস্য—সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানকে সাথে নিয়ে অতিথিদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। প্রধানমন্ত্রীর টেবিলে ভারত, নেপাল, ভুটান, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার হাইকমিশনার ও রাষ্ট্রদূতরা একসঙ্গে ইফতার করেন। এছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন, রাশিয়া, সৌদি আরব ও ফিলিস্তিনসহ বিভিন্ন দেশের শীর্ষ কূটনীতিকরা উপস্থিত ছিলেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান তাঁর বক্তব্যে জানান, বাংলাদেশ সবসময় সমমর্যাদা ও পারস্পরিক স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে চায়। অনুষ্ঠানে সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টামণ্ডলী এবং উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন যে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বাংলাদেশ শান্তি, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে।



