শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেছেন, “বিএনপি ক্ষমতায় আসলে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা নকলমুক্ত হয়। প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান আমাকে নকলমুক্ত পরীক্ষা নিশ্চিত করার দায়িত্ব দিয়েছেন। আমি যেহেতু শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছি, দেশের সব পরীক্ষা নকলমুক্ত হবেই।”
শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে কুমিল্লা শিল্পকলা একাডেমিতে কুমিল্লা অঞ্চলের পরীক্ষা কেন্দ্রসচিবদের সঙ্গে আয়োজিত এক বিশেষ মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী অবৈধ কোচিং সেন্টারের দৌরাত্ম্য নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, “দেশে ব্যাঙের ছাতার মতো কোচিং সেন্টার গড়ে উঠেছে। এগুলোকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে। বেআইনিভাবে কোনো কোচিং সেন্টার চলবে না। শিক্ষকদের উচিত কোন শিক্ষার্থী কোন বিষয়ে দুর্বল তা চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া, যাতে কোচিং সেন্টারের ওপর নির্ভরশীলতা কমে। আমরা পর্যায়ক্রমে কোচিং সেন্টার শতভাগ বন্ধ করতে চাই।”
অতীতের স্মৃতিচারণ করে মিলন বলেন, “২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত আমি নকলের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছিলাম। আমরা দায়িত্ব থেকে সরে যাওয়ার পর আবার সেই পুরোনো অবস্থা ফিরে এসেছিল। এবার আমরা এসেছি, আর কোনো নকল চাই না। নকলের বিষয়ে আমাদের জিরো টলারেন্স।” তিনি আরও যোগ করেন যে, শিক্ষা মন্ত্রণালয় অন্য ১০টি মন্ত্রণালয়ের মতো নয়; এখানে কাজ করা ‘সদকায়ে জারিয়া’র সমান।
কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক শামসুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সদর আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী এবং কুমিল্লা-৫ আসনের সংসদ সদস্য জসিম উদ্দিন। সভায় স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং শিক্ষা বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।



