আইটি ইনকিউবেশন সেন্টারগুলোকে কর্মসংস্থান ও ইনোভেশন হাব বানানোর ঘোষণা প্রযুক্তি মন্ত্রীর

✍️ প্রতিবেদক: দীপ্ত বাংলাদেশ নিউজ ডেস্ক

দেশের আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টারগুলোকে কেবল প্রশিক্ষণ দেওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে সেগুলোকে উদ্ভাবন, প্রযুক্তিনির্ভর স্টার্টআপ, বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির কার্যকর মাধ্যম হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। শনিবার (২২ আগস্ট) যশোরের সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এ কথা জানান।

ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে অনুষ্ঠানে মন্ত্রী উল্লেখ করেন, দ্রুত পরিবর্তনশীল প্রযুক্তির এই যুগে তথাকথিত প্রথাগত শিক্ষার চেয়ে বাজারমুখী ও দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষার প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি। একজন প্রশিক্ষণার্থী কত ঘণ্টা সময় ব্যয় করলেন বা কতটি সনদ পেলেন তা দিয়ে সফলতা বিচার করা যায় না; বরং তিনি চাকরি পেলেন কি না, ফ্রিল্যান্সিং করতে পারছেন কি না কিংবা নতুন উদ্যোক্তা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করলেন কি না, সেটিকে প্রাতিষ্ঠানিক সাফল্য হিসেবে গণ্য করতে হবে।

ডিজিটাল অর্থনীতিকে সুসংগঠিত করতে সরকার ইন্ডাস্ট্রি, একাডেমিয়া, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক ও ভেঞ্চার ক্যাপিটালের সমন্বয়ে একটি শক্তিশালী কাঠামো তৈরির উদ্যোগ নিচ্ছে বলেও মন্ত্রী জানান। এ লক্ষ্যে অব্যবহৃত সরকারি পরিকাঠামো ও লজিস্টিক সাপোর্টকে সুনির্দিষ্ট নিয়মের আওতায় এনে সমন্বিত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে রূপান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের অধীনস্থ আইটি ট্রেনিং সেন্টারগুলোর সার্বিক কার্যক্রম, রক্ষণাবেক্ষণ ও মান নিয়ন্ত্রণ সুনির্দিষ্ট করতে ‘আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টার পরিচালনা, রক্ষণাবেক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা নির্দেশিকা-২০২৬’ শীর্ষক একটি নতুন নির্দেশিকা তৈরি করা হয়েছে। বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের সদস্য অনুপম বড়ুয়ার সভাপতিত্বে সেমিনারে সংস্থাটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুর রহমান বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন।