ঢাকা: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ষষ্ঠ দিনে প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান বিএনপি ঘোষিত নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা ও অর্জিত অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরেছেন। বুধবার (১ এপ্রিল) সিলেট-২ আসনের সংসদ সদস্য মোছা. তাহসিনা রুশদীর এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি সরকারের ১৮০ দিন, আসন্ন অর্থবছর এবং আগামী ৫ বছরের এই মহাপরিকল্পনা দেশবাসীকে জানান।
প্রধানমন্ত্রী জানান, প্রান্তিক মানুষের সুরক্ষায় ইতোমধ্যে ১৩টি জেলায় নারীপ্রধান পরিবারগুলোকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রদান শুরু হয়েছে। কৃষকদের অর্থনৈতিক বোঝা লাঘবে শস্য, পশুপালন ও মৎস্য খাতে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করা হয়েছে। এছাড়া ৯ হাজার ১০২ জন ইমাম, মুয়াজ্জিন, পুরোহিত ও ভিক্ষুকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগেই ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে সম্মানী পাঠানো হয়েছে।
শিক্ষা ও প্রযুক্তির উন্নয়নে গুরুত্ব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কারিগরি শিক্ষকদের ট্যাব প্রদান, ৪১৮টি প্রতিষ্ঠানে ফ্রি ওয়াই-ফাই এবং শিক্ষার্থীদের জন্য জামানতবিহীন ঋণের সীমা ৩ লাখ থেকে বাড়িয়ে ১০ লাখ টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। ফ্রিল্যান্সারদের দীর্ঘদিনের দাবি ‘পেপ্যাল’ সেবা চালু করতে এবং হাইটেক পার্কগুলোর কার্যকারিতা বাড়াতে বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে।
পরিবেশ রক্ষায় আগামী ৫ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন ও ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের কর্মসূচি হাতে নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে ১ হাজার ২০৪ কিলোমিটার খাল খনন কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। স্বাস্থ্য খাতে আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে খুলনা জেলায় ২৫ লাখ ‘ই-হেলথ কার্ড’ প্রদানের একটি প্রকল্প অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।
সংসদ নেতা জনাব তারেক রহমান জোর দিয়ে বলেন, প্রতিটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ তাদের নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী কাজ করছে। তৃণমূল থেকে শুরু করে উচ্চপর্যায় পর্যন্ত ইশতেহারের প্রতিফলন ঘটাতে সরকার বদ্ধপরিকর।



