বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান ও ঐতিহ্য সংরক্ষণে সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিশেষ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সচিবালয়ে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী এবং প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়মের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার।
সাক্ষাৎকালে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়, বিশেষ করে সাংস্কৃতিক সেতুবন্ধন রচনার শক্তিশালী মাধ্যমগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। ১৯৭৯ সালের ঐতিহাসিক সাংস্কৃতিক সহযোগিতা চুক্তি এবং ‘সাংস্কৃতিক বিনিময় কর্মসূচি ২০২৫-২০২৮’-এর আওতায় দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও সুসংগঠিত করার বিষয়ে উভয় পক্ষ ঐকমত্য পোষণ করেন।
মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, “শিল্পী, গায়ক ও যন্ত্রীসহ লোকশিল্প এবং কারুশিল্প বিনিময়ের ওপর আমাদের জোর দেওয়া প্রয়োজন।” বিশেষ করে ধ্রুপদী সংগীত এবং লোকসংগীতের শিল্পীদের নিয়মিত বিনিময় কর্মসূচি দুই দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনকে সমৃদ্ধ করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এ সময় পুরাকীর্তি সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধারের বিষয়ে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে বিশেষায়িত প্রশিক্ষণের প্রস্তাবকে সাধুবাদ জানান মন্ত্রী।
পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার দুই দেশের চিত্রশিল্পী ও কারুশিল্পীদের অংশগ্রহণে যৌথ প্রদর্শনী আয়োজনের ওপর গুরুত্ব দেন। পাশাপাশি শিক্ষা ও গবেষণার প্রসারে দুই দেশের শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তি এবং ফেলোশিপের সুযোগ বাড়ানোর বিষয়েও সভায় ইতিবাচক আলোচনা হয়।
প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেন, শিল্প-সংস্কৃতির এই আদান-প্রদান দুই দেশের সম্পর্ককে আরও গভীর ও অর্থবহ করবে। বৈঠকে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলাসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং পাকিস্তান হাইকমিশনের প্রতিনিধিদল উপস্থিত ছিলেন।



